কণিকা
আনন্দের জন্য পাঠ উপকারী

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, আনন্দের জন্য পড়া যেকোনো বয়সে শরীর ও মনের উপকার করে— কী পড়ছেন, সেটা বড় বিষয় নয়। সাইকিয়াট্রি বিভাগের অধ্যাপক বারবারা সাহাকিয়ান ও ড. ক্রিস্টেল ল্যাংলির পর্যালোচনা বলছে, পড়া মানসিক স্বাস্থ্য ও পড়াশোনার দক্ষতা বাড়ায়, সহমর্মিতা বাড়ায়, ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায়। ‘সাইকোলজিক্যাল মেডিসিন’ জার্নালে প্রকাশিত পর্যালোচনায় বলা হয়, যেকোনো বয়সে পড়া মস্তিষ্ক ও মন ভালো রাখে, বয়সজনিত ক্ষয় কমায়। দেরি নেই— এখনই শুরু করা যায়। ল্যাংলি বললেন, শিশু-কিশোরদের পড়ায় আগ্রহী করতে তাদের ভালো লাগবে এমন বিষয় খুঁজতে হবে; টিভি অনুষ্ঠান বা গেমও হতে পারে। কুইন ক্যামিলার ‘কুইনস রিডিং রুম’ প্রকল্পের সঙ্গে করা সমীক্ষায় ১০ হাজার তরুণের তথ্যে দেখা গেছে, ছোটবেলা থেকে পড়া শুরু করলে মনোযোগ, স্মৃতি ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়ে। এতে স্কুলে ভালো ফল, কম মানসিক সমস্যা, বেশি ঘুম ও কম স্ক্রিন-সময় মেলে। বই ক্লাব বা পড়ার দল সামাজিক যোগাযোগ বাড়ায়, একাকিত্ব কমায়, যা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। ৫৫ বছরের ঊর্ধ্বে যারা পড়েন, তাদের জ্ঞানক্ষয়ের আশঙ্কাও কম।
বিবিসি কালচার অবলম্বনে মাসুম বায়েজীদ



