কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের
গবেষকরা বলছেন, আনন্দের জন্য পড়া যেকোনো বয়সে শরীর ও মনের উপকার করে— কী পড়ছেন,
সেটা বড় বিষয় নয়। সাইকিয়াট্রি বিভাগের অধ্যাপক বারবারা সাহাকিয়ান ও ড. ক্রিস্টেল
ল্যাংলির পর্যালোচনা বলছে, পড়া মানসিক স্বাস্থ্য ও পড়াশোনার দক্ষতা বাড়ায়, সহমর্মিতা
বাড়ায়, ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায়। ‘সাইকোলজিক্যাল মেডিসিন’ জার্নালে প্রকাশিত পর্যালোচনায়
বলা হয়, যেকোনো বয়সে পড়া মস্তিষ্ক ও মন ভালো রাখে, বয়সজনিত ক্ষয় কমায়। দেরি নেই—
এখনই শুরু করা যায়। ল্যাংলি বললেন, শিশু-কিশোরদ...