জরায়ুমুখের ক্যানসার থেকে বাঁচুন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
জরায়ুমুখের ক্যানসার হলো জরায়ুর নিচের অংশ বা সার্ভিক্সে কোষের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি। জরায়ুমুখের ক্যানসার ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশই হিউমেন প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) দ্বারা হয়। HPV সাধারণত নারী-পুরুয়ের যৌন মিলনের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।
জরায়ুমুখের ক্যানসার অনেক কারণে হতে পারে। যেমন— কম বয়সে বিয়ে ও বাচ্চা হওয়া, ধূমপান, তিন বা এর অধিক বাচ্চা হওয়া, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, জন্মবিরতিকরণ বড়ি পাঁচ বছরের বেশি সেবনে, এইচআইভি এইডস, গনোরিয়া ইত্যাদি থাকলে, স্ক্রিনিং না করালে এবং একাধিক যৌনসঙ্গী থাকলে।
উপসর্গ: অনিয়মিত মাসিক, সহবাসে রক্তক্ষরণ, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব যাওয়া, মেনোপজের পর রক্তক্ষরণ ও তলপেটে ব্যথা।
ক্যানসার নির্ণয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা
প্যাপ টেস্ট: অস্বাভাবিক কোষ খোঁজা
কলপোস্কপি ও বায়োপসি: অস্বাভাবিক কোষ পরীক্ষা করে ক্যানসার নিশ্চিত করা
এমআরআই: টিউমারের বিস্তারিত অবস্থান ও আশপাশের অংশ দেখা
সিটি স্ক্যান: ক্যানসারের বিস্তার দেখা পিইটি সিটি স্ক্যান: শরীরের কোথায় সক্রিয় ক্যানসার কোষ থাকতে পারে, তা শনাক্ত করা
জরায়ুমুখের ক্যানসারের চিকিৎসাগুলো হলো প্রাথমিক স্টেজে সার্জারি, রেডিওথেরাপি, কেমোথেরাপি, ইমিউনোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি ইত্যাদি।
প্রতিরোধে করণীয়: এইচপিভি ভেস্কিনেশন, স্ক্রিনিং, ধূমপান বর্জন, নিরাপদ যৌনমিলন ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন মেনে চলা।
লেখক: আলোক হেলথকেয়ার, মিরপুর-১০, ঢাকা



