বাঁচার আকুতি নিয়ে দিন গুনছে মামুনের পরিবার

কিশোরগঞ্জের এক সাধারণ পরিবারের সন্তান আল-মামুন। মাদ্রাসায় পড়ালেখা করতে করতেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। মা হাসিনা ও দিনমজুর বাবা ওমর ফারুকের ছয় সন্তানের মধ্যে চতুর্থ আল-মামুন। প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে ভয়ংকর এক সত্য সামনে আসে— আল-মামুন আক্রান্ত হয়েছে অ্যাকিউট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়ায়, যা রক্তের একধরনের ক্যানসার।
দেড় মাস ধরে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে যন্ত্রণার সঙ্গে লড়ছে ছোট্ট শিশুটি। এ সময়ের মধ্যেই চিকিৎসা বাবদ খরচ হয়ে গেছে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা। চিকিৎসকদের মতে, সম্পূর্ণ চিকিৎসা সম্পন্ন করতে প্রয়োজন আরও ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা। আল-মামুনের রক্তের গ্রুপ ‘বি’ নেগেটিভ। দুর্লভ এই গ্রুপের রক্তদাতা খুঁজে পাওয়াই কঠিন আর প্রতি ব্যাগ রক্ত জোগাড় করতে গুনতে হচ্ছে ১৫-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে যতটুকু সাহায্য মিলেছে, তা দিয়ে আর কুলিয়ে ওঠা যাচ্ছে না। অসুস্থ সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফেরার উপায় নেই, আবার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ারও সামর্থ্য নেই পরিবারটির। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নির্ধারিত ‘রেজিমেন বি’ পদ্ধতিতে চিকিৎসা চালিয়ে গেলে আল-মামুনের সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা যথেষ্ট।
একটি শিশুর জীবন বাঁচাতে আজ প্রয়োজন সমাজের সবার সম্মিলিত মানবিক সহায়তা। সামান্য সাহায্য ফিরিয়ে দিতে পারে একটি পরিবারের হাসি, বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি তরতাজা প্রাণ। শুধু টাকার অভাবে যেন একটি সম্ভাবনাময় নিষ্পাপ জীবন নিভে না যায়— এ আকুতি নিয়ে পরিবারটি এখন সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের সাহায্যের প্রতীক্ষায়।
সাহায্যের জন্য
বিকাশ: ০১৭৫১৭১৭১১৬







