‘ভয়ের মুখোমুখি হতে চেয়েছিলাম...’

বেশ কয়েক মাসের বিরতির পর আবারও পর্দায় ফিরেছেন কলকাতার অভিনেত্রী অনামিকা চক্রবর্তী। ‘গঙ্গা’ ধারাবাহিকে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করলেও অনামিকার ভূমিকা মুগ্ধ করেছে দর্শকদের। তাঁর চরিত্রটি ‘গঙ্গা’কে নিজের মাকে খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীর চরিত্রে নিজেকে এভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন, তা ভাবতেই পারেননি অনামিকা।
তবে অনুরাগীদের অনেকেরই প্রশ্ন, এত দিন পর পর্দায় ফিরেও কেন মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীর চরিত্র বেছে নিলেন অভিনেত্রী? অনামিকা নিজেই জানিয়েছেন, কেন এই চরিত্রটিতে তিনি ‘না’ বলতে পারেননি।
অনামিকার কথায়, ‘সহজ, স্বচ্ছন্দ আর পরিচিত একটা চরিত্র বেছে নিলেই হয়তো সবচেয়ে বেশি ভালো হতো। কিন্তু আমি ইচ্ছে করেই মনীষার মতো একটা জটিল চরিত্র বেছে নিয়েছি। কারণ, কোথাও গিয়ে আমি নিজের ভয়টার মুখোমুখি হতে চেয়েছিলাম। একজন অভিনেত্রী হিসেবে সবসময় সহজ চরিত্র করতে চাই না।’
অনামিকা চেয়েছেন, কিছু চরিত্র তাঁকে অস্বস্তিতে ফেলুক, চ্যালেঞ্জ দিক এবং তাঁর সীমাবদ্ধতাগুলোকে সামনে নিয়ে আসুক। অভিনেত্রীর কথায়, ‘এই চরিত্রটা তাই শুধু একটা চরিত্র নয়, আমার নিজের একটা ভয়কে ফেস করারও জার্নি।’
টেলিভিশন থেকে অনামিকার দূরে থাকার কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা চর্চা হয়েছে। তবে প্রায় আড়াই বছর হয়ে গেলেও এ বিষয়ে কখনোই বেশি কথা বলেননি তিনি। এবার নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
অনামিকা বলেন, ‘অনেকেরই এখন সমস্যা হয় ওজন নিয়ে। মোটা লাগছে, রোগা লাগছে। এসব নিয়ে চলতেই থাকে আলোচনা। অনেকেই আমায় এসব বলেছেন। তাই আমি সকলকে জানাতে চাই যে, গত দু-আড়াই বছর ধরে আমি খুবই অসুস্থ আছি। কিন্তু কেন অসুস্থ ছিলাম, সেটা বুঝতে পারছিলাম না। কী যে সমস্যা হচ্ছিল শরীরে। অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি, টেস্ট করিয়েছি। কিন্তু বোঝা যাচ্ছিল না।’
অনামিকা জানান, তিনি থাইরয়েড, হাই কর্টিসল লেভেল, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, বাইল্যাটারাল পিসিওডি এবং অ্যান্ডোমেট্রিওসিসে আক্রান্ত।
সূত্র-এইসময়




