দুই বছর পর সচিব সভায় বসছেন শীর্ষ কর্মকর্তারা, আসতে পারে যে নির্দেশ
- গুরুত্ব পাবে জ্বালানি সংকট

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
দুই বছর পর জনপ্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা সচিবদের নিয়ে বৈঠকে (সচিব সভা) বসতে যাচ্ছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি। বিএনপি সরকার গঠনের পর এটি প্রথম আনুষ্ঠানিক সচিব সভা।
আগামীকাল মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে চারটায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠেয় সচিব সভায় অংশগ্রহণের জন্য সব সচিবকে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। রেওয়াজ অনুযায়ী সচিব সভায় প্রধান অতিথি থাকেন প্রধানমন্ত্রী। মন্ত্রিপরিষদ সচিব এতে সভাপতিত্ব করেন। তবে কালকের সচিব সভায় সরকার প্রধান থাকছেন না বলে নিশ্চিত করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
সচিব সভার আলোচ্যসূচিতে চারটি বিষয় রাখা হয়েছে। যেমন-সরকারের কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক বিষয়াদি আলোচনা। ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ বিষয়ক আলোচনা। কৌশলপত্রের কপিও পাঠানো হয়েছে সব সচিবের কাছে। পাশাপাশি সরকারের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, কল্যাণমুখী ও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হবে সচিব সভায়। এ ছাড়া জনগণের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে-এমন কোনো গুরুত্বপুর্ণ অনানুষ্ঠানিক বিষয় সচিবরা উপস্থাপন করলে সে বিষয়েও আলোচনা হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র বলছে, সর্বশেষ সচিব সভা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথমদিকে ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সচিবদের সঙ্গে সভায় মিলিত হয়েছিলেন তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর প্রায় দেড় বছর ওই সরকার দায়িত্ব পালন করলেও কোনো সচিব সভা হয়নি। এর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আগে ২০২৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক সচিব আগামীর সময়কে জানান, এবারের সচিব সভায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের বিষয়। এ ছাড়া স্থবির প্রশাসনকে আরও গতিশীল ও জনকল্যাণমুখী করতে কী কী কৌশলে কাজ করা উচিত সে বিষয়ে সচিবদের মতামত চাওয়া হতে পারে। পাশাপাশি সচিবদের নিজ নিজ মন্ত্রণালয় ও বিভাগ আরও গতিশীল করার নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে। সরকারকে জনপ্রিয় করতে ও জনগণের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন আইডিয়া বা প্রস্তাব আহবান করা হতে পারে। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ভিত্তিক সমস্যা জানতে চাওয়া হতে পারে সচিবদের কাছে।



