২ বিলিয়নের ক্লাবে তিনে স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে, আরও কারা আছে?

টম হল্যান্ড। ছবি: সংগৃহীত
স্পাইডার-ম্যান চরিত্রে নিউ ইয়র্কের অলিগলিতে জাল বুনে কোটি কোটি দর্শকের মন জয় করা টম হল্যান্ড এবার বক্স অফিসে ঘটিয়েছেন এক অবিশ্বাস্য ঘটনা। তার নতুন মার্ভেল সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ বিশ্ব জুড়ে আয়ের রেকর্ডে যেন নতুন এক তুফান তুলেছে।
মুক্তির পরপরই সিনেমাটি একের পর এক রেকর্ড ভেঙেছে। আর সেই রেকর্ডভাঙা ঝড়ে ভর করেই মাত্র ৩০ বছর বয়সে হলিউডের ইতিহাসের অন্যতম শীর্ষ সফল অভিনেতা হিসেবে নিজের নাম লিখে নিলেন হল্যান্ড।
সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক বক্স অফিস হিসাব অনুযায়ী, বিশ্ব জুড়ে সবচেয়ে বেশি আয় করা অভিনেতাদের তালিকায় তিন নাম্বারে উঠে এসেছেন টম হল্যান্ড। এ তালিকার শীর্ষ দুটি স্থানে রয়েছেন জোই সালদানা ও স্কারলেট জোহানসন। অর্থাৎ, পুরুষ অভিনেতাদের মধ্যে তিনিই এখন সব সময়ের সর্বোচ্চ আয়ের শীর্ষে। একই সঙ্গে শীর্ষ তিনে জায়গা করে নেওয়া সবচেয়ে কম বয়সী অভিনেতাও এখন তিনি।
টম হল্যান্ডের এ অবিশ্বাস্য অর্জনের সিংহভাগই এসেছে মার্ভেল ফ্র্যাঞ্চাইজির ‘পিটার পার্কার’ বা ‘স্পাইডার-ম্যান’ চরিত্র থেকে। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কয়েক সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ সিনেমাটির দাপট কমেনি, বরং এটি হল্যান্ডের ক্যারিয়ারে আয়ের নতুন মাইলফলক যুক্ত করেছে।
উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে টানা পঞ্চম সপ্তাহের মতো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে সিনেমাটি। সবশেষ সপ্তাহান্তেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার প্রেক্ষাগৃহ থেকে এটি আনুমানিক ২ কোটি ২২ লাখ ডলার আয় করেছে। নতুন এই আয়ের পর বিশ্ব জুড়ে সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২.৩৩ বিলিয়ন ডলারে।
আর এই বিশাল অঙ্কের আয়ের মাধ্যমে জেমস ক্যামেরনের সাড়া জাগানো সিনেমা ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’-কেও পেছনে ফেলে দিয়েছে নতুন স্পাইডার-ম্যান। ‘অ্যাভাটার ২’ প্রেক্ষাগৃহ থেকে আয় করেছিল প্রায় ২৩২ কোটি ডলার। ২৩৩ কোটি ডলার আয়ের মাধ্যমে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ এখন বিশ্বের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা চলচ্চিত্রের তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে।
বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি আয়ের সিনেমার তালিকায় ২৯২ কোটি ডলার নিয়ে সবার ওপরে রয়েছে ‘অ্যাভাটার’। ২৭৯ কোটি ডলার আয় নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’। ২৩৩ কোটি ডলার নিয়ে তিন নাম্বারে জায়গা করে নিয়েছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। এরপর ২৩২ কোটি ডলার নিয়ে চতুর্থ স্থানে ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ এবং প্রায় ২২৫ কোটি ডলার আয় করে পঞ্চম স্থানে রয়েছে কালজয়ী সিনেমা ‘টাইটানিক’।
ঘরের মাঠ অর্থাৎ উত্তর আমেরিকার বাজারেও বিশাল অঙ্কের ব্যবসা করেছে স্পাইডার-ম্যানের নতুন এই কিস্তি। কেবল উত্তর আমেরিকা থেকেই সিনেমাটির পকেটে এসেছে প্রায় ৮৯ কোটি ১০ লাখ ডলার।








