একা ও চরম হতাশায় পিটার পার্কার!

‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’-এর ট্রেলারে পিটার পার্কার
মার্ভেল ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ৩১ জুলাই বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে স্পাইডার-ম্যান সিরিজের নতুন কিস্তি ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’।
সিনেমাটির মুক্তিকে সামনে রেখে সম্প্রতি নিজের চরিত্র ও সিনেমার আবেগঘন কাহিনি নিয়ে মুখ খুলেছেন জনপ্রিয় হলিউড তারকা টম হল্যান্ড।
তিনি জানিয়েছেন, এই সিনেমায় দর্শকরা পিটার পার্কারের জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার ও কঠিন এক অধ্যায় দেখতে যাচ্ছেন।
উপস্থাপক জোশ হরোভিৎসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে টম হল্যান্ড বলেছেন, ‘এই সিনেমার শুরুতে দর্শকরা পিটার পার্কারকে তার জীবনের সবচেয়ে হতাশাচ্ছন্ন ও অন্ধকারতম এক মুহূর্তে আবিষ্কার করবেন। পুরো বিশ্বে তার কোনো বন্ধু নেই, পাশে দাঁড়ানোর মতো পরিবার নেই। একা একা বাঁচা এবং সাহায্য না চাওয়ার পরিণতি যে কতটা ভয়ংকর হতে পারে—এটি মূলত সেই সতর্কতারই গল্প।’
‘নো ওয়ে হোম’ সিনেমার ট্র্যাজিক পরিণতির কথা উল্লেখ করে টম আরও জানান, আগের সিনেমায় অ্যান্ড্রিউ গারফিল্ডের স্পাইডার-ম্যান তাকে বুঝিয়েছিল যে বিপদে সাহায্য চাওয়াই হলো সবচেয়ে বড় সাহসিকতা। কিন্তু পিটার সেই শিক্ষা ভুলে গিয়ে একা সব সামলানোর ভুল চেষ্টা করে চলেছে, যা তার ব্যক্তিগত জীবনে চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে।
গ্ল্যামারাস সুপারহিরো জীবনের পেছনের একাকীত্ব তুলে ধরে টম বলেছেন, ‘সারা বিশ্ব কাঁপিয়ে বাড়ি ফিরে পিটারকে নিউ ইয়র্কের এক ছোট ও নোংরা অ্যাপার্টমেন্টে একা একা দিন কাটাতে হয়।
অনলাইনে নিজের পুরনো প্রেমিকা এমজে ও বন্ধু নেডকে দেখে ও একাকিত্বে ভোগে, মাথাব্যথার ওষুধ খেয়ে ঘুমাতে যায়। আজকের নতুন প্রজন্ম বা তরুণ সমাজ যেভাবে প্রতিদিন হতাশা ও একাকীত্বের সাথে লড়াই করছে, এই গল্পটি ঠিক তাদের জীবনের সাথেই ভীষণভাবে মিলে যায়।’
মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের ৩৮তম চলচ্চিত্র এবং স্পাইডার-ম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজির এই চতুর্থ কিস্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে।
জন ওয়াটস ও স্যাম রাইমির পর নতুন আমেজে নিয়ে আসা এই ছবিতে টম হল্যান্ডের পাশাপাশি জেন্ডায়া, সেডি সিঙ্ক, জেকব ব্যাটালন এবং জন বার্নথালের মতো নামজাদা তারকাদের দেখা যাবে।





