প্রথম উইকেন্ডেই ৯২৭ মিলিয়ন ডলার আয়, ইতিহাস গড়ল ‘স্পাইডার-ম্যান’

সংগৃহীত ছবি
বিশ্ব জুড়ে বক্স অফিসে অভূতপূর্ব ঝড়ের সূচনা করল মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের নতুন কিস্তি ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। মুক্তির প্রথম উইকেন্ডেই বিশ্ব জুড়ে রেকর্ড ৯২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যবসা করে বক্স অফিস ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গ্লোবাল ওপেনিংয়ের নজির গড়েছে টম হল্যান্ড ও জেন্ডায়া অভিনীত এই মেগা প্রজেক্ট।
ইতিহাসের সর্বকালের সেরা গ্লোবাল ওপেনিংয়ের তালিকায় স্পাইডার-ম্যানের সামনে এখন শুধু ২০১৯ সালের কালজয়ী সিনেমা ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’। যার আয় ছিল ১.২ বিলিয়ন ডলার।
৩টি কর্মদিবস ও ১টি উইকেন্ডেই উত্তর আমেরিকার ডোমেস্টিক বাজার থেকে ৩৫৫ মিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ৫৭২ মিলিয়ন ডলার পকেটে পুরেছে সিনেমাটি।
সাম্প্রতিক সময়ে ‘দ্য মার্ভেলস’ বা ‘থান্ডারবোল্টস’-এর মতো বড় বাজেটের সিনেমাগুলো ব্যবসায়িক সাফল্য পেতে হিমশিম খাচ্ছিল। তবে সেই ধারা ভেঙে মার্ভেল স্টুডিওসের আসল ত্রাতা হয়ে দাঁড়াল স্পাইডার-ম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজি।
চলতি বছরের ডিসেম্বরে বহুল প্রতীক্ষিত ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ মুক্তির আগে এই বিশাল বাণিজ্যিক সাফল্য ডিজনি ও মার্ভেলকে বিশাল অক্সিজেন দিল।
গত ৩১ জুলাই বিশ্ব জুড়ে মুক্তির পর সিনেমাটি এরই মধ্যে ২০২৬ সালের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রের তালিকায় চার নাম্বারে উঠে এসেছে। তালিকায় থাকা ‘টয় স্টোরি ৫’ (১.০৬৫ বিলিয়ন ডলার), ‘মাইকেল’ (১.০১৬ বিলিয়ন ডলার) এবং ‘দ্য সুপার মারিও গ্যালাক্সি মুভি’ (১.০১১ বিলিয়ন)-কে প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই স্পাইডার-ম্যান টপকে যাবে বলে শতভাগ নিশ্চিত বক্স অফিস বিশ্লেষকরা।
২০২১ সালের ‘নো ওয়ে হোম’-এর ঘটনার কয়েক বছর পরের পটভূমিতে নির্মিত এই ছবিতে দেখানো হয় যে বিশ্ব পিটার পার্কারকে একদম ভুলে গেছে, সেই বিশ্বেই ছদ্মবেশে শহরকে রক্ষা করে চলেছে স্পাইডার-ম্যান।
অনবদ্য ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট ও আবেগঘন গল্পের কারণে বিশ্ব জুড়ে মাল্টিপ্লেক্সগুলোয় এখন টিকিট পাওয়ার হাহাকার দেখা দিয়েছে।





