বিবাহিত জীবনে সুখে থাকার ‘রেসিপি’ দিলেন আরিফিন শুভ

আরিফিন শুভ
প্রেম, বিরহ কিংবা ত্রিকোণ প্রেমের নানা গল্প পর্দায় অহরহ দেখা গেলেও বিয়ের পর দম্পতিদের বাস্তব জীবনের টানাপড়েন নিয়ে কাজ খুব একটা চোখে পড়ে না। সেই ভাবনা থেকেই তরুণ নির্মাতা জাহিদ প্রীতম নির্মাণ করেছেন নতুন ওয়েব ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সিভিক অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল চরকির এই অরিজিনাল ফিল্মের জমকালো প্রিমিয়ার শো। সেখানে উপস্থিত হয়ে সিনেমাটির প্রচারণায় অংশ নেন মূল চরিত্রের অভিনেতা ঢালিউড তারকা আরিফিন শুভ।
প্রিমিয়ার শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে শুভর কাছে জানতে চাওয়া হয়— বিবাহিত জীবনে সুখে থাকার ‘রেসিপি’ আসলে কী?
প্রশ্ন শুনেই শুভ হাসিমুখে উত্তর দেন, ‘‘ম্যারিড লাইফে হ্যাপি থাকার রেসিপি হচ্ছে, প্রত্যেক সপ্তাহে একবার করে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ দেখতে হবে। শুক্রবার দিন সকালবেলা উঠে এটি একবার করে দেখতে হবে, তাহলেই হ্যাপি ম্যারিড থাকতে পারবেন।” তার এ চটজলদি রসিকতায় হাসির রোল ওঠে উপস্থিত সবার মধ্যে।
সম্প্রতি শুভ তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে কেয়া পায়েলের সঙ্গে ছবি দিয়ে শুধু ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ লিখে একটি পোস্ট দিলে তা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছিল।
অনেকে তার ব্যক্তিগত জীবনের নতুন কোনো ঘোষণা ভেবে বসলেও পরে জানা যায়, সেটি ছিল মূলত এ সিনেমারই প্রচারণার এক অভিনব অংশ।
‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ সিনেমাটির মূল গল্প গড়ে উঠেছে এ যুগের জটিল মনস্তাত্ত্বিক ও আধুনিক জীবনধারার দূরত্বকে কেন্দ্র করে। গল্পে শুভ অভিনয় করেছেন আনিস চরিত্রে— যে একজন সহজ-সরল ও সৎ যুবক।
অন্যদিকে কেয়া পায়েলকে দেখা যাবে অনামিকা চরিত্রে, যে উচ্চবিত্ত, আধুনিক এবং সোশ্যাল মিডিয়া ও ভার্চুয়াল জগতের গ্ল্যামারে বুঁদ।
সহশিল্পী কেয়া পায়েল এবং ক্যামেরার পেছনের পুরো টিমের প্রশংসায় শুভ জানান, সবাই মিলে ভীষণ কষ্ট করলেও কাজটিতে আনন্দ ছিল প্রচুর।
তবে পর্দায় নিয়মিত উপস্থিতি না থাকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শুভ স্পষ্ট জানান, তিনি নিজে সুযোগ বা কাজের ক্ষেত্র তৈরি করেন না, সুযোগ তার কাছে আসে। ভালো কাজ ও সঠিক ক্ষেত্র তৈরি হলেই দর্শকরা তাকে নিয়মিত পর্দায় দেখতে পাবেন।




