বলিউডের নেপোটিজম নিয়ে সরব কঙ্গনাকে আরশাদের ‘স্যালুট’

আরশাদ ওয়ার্সি ও কঙ্গনা রানাউত। ছবি: কোলাজ
বলিউডের বহু পুরনো ও চর্চিত বিষয় ‘নেপোটিজম’ বা স্বজনপোষণ। দশকের পর দশক ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে বহিরাগত বনাম তারকা-সন্তানদের এই লড়াই চললেও, এই বিতর্ককে জনসমক্ষে আনার পুরো কৃতিত্ব অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতকেই দিলেন অভিনেতা আরশাদ ওয়ার্সি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোয় নেপোটিজম শব্দটি নিয়ে কারও কোনো মাথাব্যথাই ছিল না। কঙ্গনাই প্রথম ব্যক্তি, যিনি এই অলিখিত নিয়মকে সর্বসমক্ষে চ্যালেঞ্জ জানান।
বিনোদনভিত্তিক মাধ্যম ‘ফিল্মিজ্ঞান’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরশাদ ওয়ার্সি বলেছেন, ‘কঙ্গনাই প্রথম এই নেপোটিজমের ধারণাটি ইন্ডাস্ট্রির সামনে এনেছিল। এরপরই এটি এক বিশাল রূপ নেয় এবং সাধারণ মানুষ থেকে তারকা— সবাই এটি নিয়ে কথা বলতে বাধ্য হয়। হ্যাঁ, বলিউডে স্বজনপোষণ আছে, তবে তা আমাকে কখনোই বিচলিত করে না। আমি বিশ্বাস করি, দিনশেষে একজন অভিনেতার প্রতিভাই ঠিক করে দেয় তিনি কতদূর যাবেন।’
২০১৭ সালে জনপ্রিয় চ্যাট শো ‘কফি উইথ করণ’-এ খোদ করণ জোহরের মুখের ওপর তাকে ‘স্বজনপোষণের পতাকাধারী’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন কঙ্গনা। এরপর থেকেই বি-টাউনে ইনসাইডার বনাম আউটসাইডার বিতর্ক মারাত্মক মোড় নেয়।
বহিরাগত হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়া আরশাদ মনে করেন, পরিবারের যোগাযোগ প্রথম কাজ পেতে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী ক্যারিয়ার গড়তে মেধার কোনো বিকল্প নেই। তবে এই বিতর্কের অন্য দিকটি নিয়েও কথা বলেন এই অভিনেতা।
তার মতে, তারকা-সন্তানদের জীবনও খুব একটা সহজ নয়। দর্শকরা তাদের বাবা-মায়ের সফলতার সঙ্গে মিলিয়ে অস্বাভাবিক প্রত্যাশা করে বসেন, যা অনেক সময় তাদের ওপর অন্যায্য মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করে।
তার নিজের সন্তানের উদাহরণ দিয়ে আরশাদ জানান, প্রত্যাশার এই চাপ সামলে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করা একজন স্টার কিডের জন্যও বেশ কঠিন লড়াই।








