ফিল্ম ফুটবল ফিলোসফি
- বড় পর্দার গল্পে বহুবারই এসেছে ফুটবল। কখনো মূল পটভূমিতে, কখনো পার্শ্বচরিত্র হয়ে। এর মধ্যে কিছু চলচ্চিত্র খেলা উপভোগ বা বিনোদন দেওয়ার সীমানা ছাড়িয়ে গভীর জীবনবোধের সামনে দাঁড় করিয়ে দেয় দর্শকদের

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
কয়েক দিন আগে পত্রিকায় এমন একটি ছোট খবর প্রকাশ পেয়েছিল, যেটি প্রথম পাতার প্রধান সংবাদ হওয়ার যোগ্য। একটি জরিপের ভিত্তিতে ওই খবরে বলা হয়, গড়পড়তা চেহারার তুলনায় সুদর্শন পুরুষদের ব্যবসায় সাফল্য, উপার্জন এবং আকাঙ্ক্ষিত জীবনসঙ্গী পাওয়ার হার কম; তারা বিয়েও করেন অল্প বয়সে। এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া সমাজবিজ্ঞানীদের অনুমান, সুদর্শন ছেলেরা উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই জীবনের মূল লক্ষ্য থেকে ছিটকে যায়। পড়াশোনার চেয়ে আড্ডাবাজিতে সময় কাটায় বেশি। বিস্তারিত পড়ুন এখানে...
কৈশোরক স্বপ্ন ও যাতনা
১১ জুন ২০২৬
ফুটবলে অফসাইড এমন একটি নিয়ম, যে অবস্থান থেকে প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠালেও গোল বাতিল হয়ে যায়। যারা নিয়মিত ফুটবল খেলা দেখেন না, তাদের জন্য অফসাইডের ফাঁদ বুঝতে পারা একটু জটিলই। একই শিরোনামে ২০০৬ সালে ইরানি ফিল্মমেকার জাফর পানাহি যে চলচ্চিত্র বানিয়েছেন, তাতে প্রতীকীভাবে একদল নারী দর্শক নিজেদের খুঁজে পায় অফসাইড পজিশনে। বিপ্লবোত্তর ইরানে নারীদের চলাফেরার ওপর আরোপ করা কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে একটি হলো, তারা স্টেডিয়ামে গিয়ে খেলা দেখতে পারবেন না। বিস্তারিত পড়ুন এখানে...
অধিকার বুঝে নেওয়ার দাবি
১১ জুন ২০২৬
তিমবুকতু। উত্তর আফ্রিকার দেশ মালির এক প্রাচীন শহর। সেখানে শাসন শুরু করে একদল উগ্রবাদী। সেই শাসনব্যবস্থা ঘিরেই মৌরিতানিয়ায় জন্মগ্রহণকারী মালিয়ান ফিল্মমেকার ২০১৪ সালে নির্মাণ করেছেন ‘তিমবুকতু’। এ ফিল্মে ফুটবল এসেছে ভিন্ন এক তাৎপর্য নিয়ে। চলচ্চিত্রটি জুড়ে উগ্রবাদী শাসনের প্রতি তিমবুকতুর অধিবাসীদের প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়েছে। যেমন, মাছ বিক্রেতা এক নারীকে গ্লাভস পরতে বাধ্য করা; পরিবার উগ্রবাদীদের বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তুলে নিয়ে তরুণীকে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া; গান গাওয়া এবং নিজের পরিবারের সদস্য নয়— এমন পুরুষদের সঙ্গে সময় কাটানোর দায়ে একজন নারীকে চাবুক মারা এবং ব্যভিচারের অভিযোগ তুলে এক দম্পতিকে পাথর ছুড়ে হত্যা করা। উগ্রবাদীরা যে নিজেদের করা নিয়ম নিজেরাই মানতে ব্যর্থ, সেই চিত্রও তুলে ধরেছে ‘তিমবুকতু’। বিস্তারিত পড়ুন এখানে...
ভিম ভেন্ডার্স। ‘নিউ জার্মান’ ফিল্ম মুভমেন্টের অন্যতম অগ্রদূত। ১৯৭২ সালে নির্মিত তার দ্বিতীয় ফিচার ফিল্মটির শুধু শিরোনাম নয়, আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে ফুটবল। এটি শুরু হয় একটি ম্যাচের অ্যারিয়েল শট দিয়ে। উজ্জ্বল হলুদ ও কমলা রঙের টাইপফেসে ভেসে ওঠা বিশাল এক টাইটেল কার্ডের আড়ালে অনেকটাই ঢাকা পড়ে যায় সেটি। ক্যামেরা খেলোয়াড়দের কাছাকাছি গেলে তাদের শরীরের সুনির্দিষ্ট নড়াচড়া ফুটে ওঠে। দেখা মেলে ইয়োসেফ ব্লশেরও। গোলকিপার সে। ফিল্মের কেন্দ্রীয় চরিত্র। বিস্তারিত পড়ুন এখানে...
বিশ্বযুদ্ধোত্তর নৃশংসতা
১১ জুন ২০২৬








