হোটেলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার মামলার জেরে ববি শিক্ষক বরখাস্ত

অভিযুক্ত সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগের ঘটনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে শিক্ষাছুটিতে রয়েছেন তিনি।
সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বাছির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে জানানো হয় এ তথ্য।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর আওতায় দায়ের করা একটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলহাজতে ছিলেন তিনি।
এ অবস্থায় সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৩৯(২) ধারা এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ৪৪(৬) ধারা অনুযায়ী তাকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্তকালীন বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন তিনি।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকায় এক নারীর সঙ্গে শফিকুল ইসলামের সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাও ঠিক হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ওই নারীকে মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে মারধর করেন তিনি। পরে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পুলিশের দাখিল করা এজাহারে মামলার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বাছির বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধান অনুযায়ী যা হবার তাই হবে। অভিযোগ এসেছে, যেহেতু এটা ফৌজদারি মামলা, সেটা পুলিশ দেখবে। এটা বিশ্ববিদ্যালয় দেখবে না। বিশ্ববিদ্যালয় যেটা দেখতে পারে, সেটা চাকরি যে শৃঙ্খলার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কিনা। সেজন্য তাকে আইন অনুযায়ী আদেশ দেওয়া হয়েছে।’





