বাংলাদেশের বিপক্ষে সবুজ উইকেট চান না বোর্ডার

কিংবদন্তি ক্রিকেটার অ্যালান বোর্ডার
ব্যস্ত সূচি শুরু হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার। ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠলে অজিরা ২১টি টেস্ট ম্যাচ খেলতে পারে। তারপরও বাংলাদেশের বিপক্ষে সেরা দলই ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। ডারউইনে প্রথম টেস্টের আগে এ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান নির্বাচকদের প্রশংসাই করলেন দেশটির কিংবদন্তি ক্রিকেটার অ্যালান বোর্ডার।
ফক্স স্পোর্টসকে তিনি বলেছেন, ‘আমি সবসময় সেরা একাদশ মাঠে নামানোর পক্ষে। আর ইনজুরির কারণে কেউ ছিটকে গেলে তার বিকল্প হিসেবে অন্য কেউ তৈরি থাকবে। এজন্যই আমরা শেফিল্ড শিল্ড খেলি এবং আমাদের অনেক তরুণ খেলোয়াড় সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। মিচেল স্টার্ক গত বছর দেখিয়েছে, এই বোলাররা এমন এক বয়সে আছে যেখানে তারা যত বেশি বোলিং করবে, ততই তাদের দক্ষতা বাড়বে। তাই স্টার্কের উদাহরণ ধরে বললে, জশ হ্যাজলউড এবং অধিনায়কসহ সবাই-বিশ্রামের পাশাপাশি যত বেশি সম্ভব বোলিং করবে, ততই তাদের জন্যই ভালো হবে।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে টপ-অর্ডার ব্যাটারদের ফর্মে ফেরার ভালো একটি সুযোগ তৈরি করে দেবে বলে মনে করেন বোর্ডার। গত অ্যাশেজ সিরিজে পার্থ এবং মেলবোর্নের টেস্ট ম্যাচগুলো মাত্র দুই দিনে শেষ হয়ে গিয়েছিল। বোর্ডারের মতে, পিচগুলো পেস বোলারদের অতিরিক্ত সুবিধা দিয়েছিল, ‘গত বছর আমি যে ম্যাচগুলো দেখেছি, তাতে কয়েকটিতে বেশ বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছিল, তাই না? অতিরিক্ত ঘাস থাকা পিচে ম্যাচগুলো আড়াই দিনেই শেষ হয়ে যাচ্ছিল, বোলাররাই একচেটিয়া সুবিধা পেয়েছে। এ বছর আমি ভালো ক্রিকেট উইকেট দেখতে চাই— এমন সমতল উইকেট, যা খেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আস্তে আস্তে ক্ষয়ে যাবে এবং তিন, চার ও পঞ্চম দিনে গিয়ে ম্যাচ নতুন মোড় নেবে।’ বোর্ডার আরও যোগ করেন, ‘প্রথম দুদিন এটি ব্যাটিংয়ের উপযোগী থাকা উচিত। তাহলে আমাদের ব্যাটাররাও ছন্দ ফিরে পাবে। কারণ অতিরিক্ত সিম মুভমেন্ট করা শক্ত লাল বলের বিপক্ষে শট খেলা খুবই কঠিন। তখন ব্যাটাররা কী করবে? ঠিকঠাক রক্ষণাত্মক খেলতে গেলে ব্যাটের কানায় লেগে আউট হতে হয়, আবার বড় শট খেলতে গেলেও আউট হওয়ার ভয় থাকে। এটি খেলোয়াড়দের যোগ্যতার বিষয় নয়, বরং উইকেটের বিষয়। তাই আমি চাই, এমন পিচ যা সবাইকে সুযোগ দেবে— শুরুতে ব্যাটারদের, আর খেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে স্পিনার ও পেসারদের।’




