প্রাথমিকে নিয়োগ
ভেরিফিকেশন নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই : মন্ত্রণালয়

সংগৃহীত ছবি
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও যারা নিযোগপত্র না পেয়ে উদ্বেগে রয়েছেন, তাদের আশ্বস্ত করেছে সরকার।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, পর্যায়ক্রমে সবার কাছে নিয়োগপত্র পৌঁছে যাবে। অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও অনেকে নিয়োগপত্র পাননি; যদিও ১ অক্টোবর যোগদানের সময় নির্ধারিত।
অভিযোগ উঠেছে, পুলিশ ভেরিফিকেশনের ‘নেগেটিভ রিপোর্ট’ আসায় ২৭ জেলার প্রায় ১ হাজার চাকরিপ্রার্থীর কাছে যায়নি নিয়োগপত্র।
এনিয়ে সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তোলপাড়। রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিষয়টি উঠেছে আলোচনায়।
এমন পরিস্থিতিতে আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘১ অক্টোবর পর্যন্ত উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেউ নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। পরবর্তীতে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে তাদের নিয়োগপত্র পাঠানো হবে।’
মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা আসিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন/ভেটিং একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। এ কারণে নিয়োগপত্র প্রদানে সময়ের পার্থক্য হতে পারে।
এ বিষয়ে প্রার্থীদের ‘বিভ্রান্ত’ না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এই শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনও ছিলেন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর অংশ হিসেবে গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া) একযোগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।
পরবর্তীকালে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এতে ৬১ জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয় এবং জেলাভিত্তিক ফল প্রকাশ করা হয়।
চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র প্রদান ও ১ অক্টোবর যোগদানের প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে বিভিন্ন জেলার কিছু চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থী নির্ধারিত সময়ে নিয়োগপত্র না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।




