শিক্ষা খাতে মোট বাজেটের ২০ শতাংশ বরাদ্দসহ ১৫ দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের

ছবি: আগামীর সময়
শিক্ষা খাতে মোট বাজেটের ২০ শতাংশ বা জিডিপির ৬ শতাংশ বরাদ্দসহ ১৫ দফা দাবি জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ।
আজ বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ'র সভাপতিত্বে দেশের সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শিক্ষা বাজেট প্রস্তাবনা পেশ করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ।
সংগঠনটির ১৫ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা দশম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করা; শিক্ষার সর্বস্তরে কুরআন ও ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত এবং প্রাথমিক স্তরে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া; প্রাথমিকের ন্যায় মাধ্যমিক পর্যন্ত পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা; কারিগরি শিক্ষায় ভর্তি হার ৩০ শতাংশে উন্নীত করতে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে; পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ও শিক্ষা সুবিধা নিশ্চিত করা; বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ব্যয় কমাতে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া; শিক্ষিত বেকারদের সহজ শর্তে ঋণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে; নারী শিক্ষার্থীদের অবাধ চলাফেরা, নিরাপত্তা ও স্বাতন্ত্র্যতা বজায় রাখতে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আলাদা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় বাজেটে অগ্রাধিকার দেওয়া; দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা; বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট বাজেটের কমপক্ষে ১০ শতাংশ গবেষণা ও উদ্ভাবনে বরাদ্দ রাখা; কওমি মাদরাসার উন্নয়ন, সনদের সমমান নিশ্চিত ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা; কওমি শিক্ষার্থীদের দেশে-বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টিতে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করা; আলিয়া শিক্ষার মান বৃদ্ধি, অবকাঠামো নির্মাণ ও সম্প্রসারণে প্রকল্প ও প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেওয়া এবং প্রতি জেলায় একটি করে কামিল মাদরাসা সরকারিকরণে ব্যবস্থা নেওয়া।
শিক্ষা বাজেট প্রস্তাবনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ বলেন, বাজেট এমন হওয়া উচিত, যাতে উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকে কিন্তু সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ না পড়ে। বাজেট শুধু সংখ্যার হিসাব নয়, এটি মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন হবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হোসাইন ইবনে সরোয়ার, ইমরান হোসাইন নূর, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ফয়জুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইবরাহীম খলীল, তথ্য-গবেষণা ও প্রযুক্তি সম্পাদক কামরুল ইসলাম, প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মাইমুন ইসলাম মিঠুন, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক ইউসুফ পিয়াস, প্রকাশনা সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ মাহদী ইমাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক ইব্রাহীম নাসরুল্লাহ, কারিগরি শিক্ষা সম্পাদক মুহাম্মাদ খাইরুল কবির, কওমি মাদরাসা সম্পাদক বি এম মাহদী আল হাসান, কার্যনির্বাহী সদস্য সোহরাব হোসেন ফজলে, গাজী ফাহিমুল ইসলাম প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।




