এসএসসি পরীক্ষা আজ, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

প্রতীকী ছবি
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ মঙ্গলবার। এবার ১৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ শিক্ষার্থী বসবে পরীক্ষায়। পরীক্ষা চলবে ২০ মে পর্যন্ত।
সারা দেশে মোট ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটিই প্রথম পাবলিক পরীক্ষা। তবে গতবারের তুলনায় এবার অনেক কম পরীক্ষার্থীর সংখ্যা। নবম থেকে দশম শ্রেণির গণ্ডি পেরিয়ে প্রথম পাবলিক পরীক্ষায় বসতে পারেনি ৪ লাখ ৪৬ হাজার শিক্ষার্থী।
রুটিন অনুযায়ী আজ বাংলা দিয়ে শুরু হবে এবারের পরীক্ষা। প্রতিদিন পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টায়। ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ পরীক্ষার রুটিন প্রকাশের সময়েই পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪টি বিশেষ নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছিল।
নির্দেশনাগুলো হলো—
১. পরীক্ষা শুরুর ৩০ (ত্রিশ) মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে পরীক্ষার্থীদের।
২. পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী।
৩. প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে থাকবে না কোনো বিরতি।
৪. পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে সংগ্রহ করবে পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে।
৫. শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়গুলো জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর প্রেরণ করবে বোর্ডের অনলাইন ওয়েবসাইটে।
৬. নিজ নিজ উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে পরীক্ষার্থীরা। কোনো অবস্থাতেই ভাঁজ করা যাবে না উত্তরপত্র।
৭. সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে পরীক্ষার্থীকে।
৮. কেবল নিবন্ধনপত্রে বর্ণিত বিষয়/বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। কোনো অবস্থাতেই দেওয়া যাবে না ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার অনুমতি।
৯. পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে কোনো জটিলতা তৈরি হলে দায়ী থাকবেন প্রতিষ্ঠানপ্রধান।
১০. পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে পরীক্ষার্থীরা।
১১. কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি/পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে আনতে বা ব্যবহার করতে পারবে না মোবাইল ফোন।
১২. সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতিপত্র ব্যবহার করতে হবে।
১৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে নিজ নিজ কেন্দ্রে।
১৪. পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এ বিষয়ে দৈনিক পত্রিকা ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া, তারিখ ও সময় জানিয়ে দেওয়া হবে।



