জাবিতে দর্শনার্থীদের মারধর-ছিনতাইয়ের অভিযোগ দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে

বায়জীদ ও মুন্না।ি সংগৃহীত ছবি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে দর্শন বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থীর আত্মীয়দের গতিরোধ করে মারধর, ছিনতাই ও মানসিকভাবে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম ব্যাচের দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পক্ষে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন দর্শন বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মাহফুজুর রহমান এবং আইন বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সৈয়দা অনন্যা ফারিয়া।
অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থী হলেন— আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী বায়জীদ (ভাসানী হল) এবং নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মুন্না (এস. এইচ. হল)। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
লিখিত অভিযোগ ও সিসিটিভি ফুটেজ থেকে জানা যায়, গতকাল সোমবার বিকাল ৪টার দিকে দর্শন বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মাহফুজুর রহমানের এসএসসি ও এইচএসসি পড়ুয়া দুই আত্মীয় ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসেন। এ সময় টিএসসির পাশ দিয়ে সপ্তম ছায়া মঞ্চের মোড় পার হওয়ার সময় বায়জীদ ও মুন্না তাদের পথরোধ করে অডিটোরিয়ামের পেছনে নিয়ে যান। সেখানে তাদের মোবাইল ও মানিব্যাগ কেড়ে নেওয়া হয়। তাদেরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে কাউকে কিছু না জানানোর জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে অনেক অনুরোধের পর মোবাইল ফিরিয়ে দিলেও মানিব্যাগটি আর ফেরত দেননি তারা।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঘটনার সময় ৫৫ ব্যাচের এক ছেলেও র্যাগিংয়ের শিকার হয়। পরবর্তী সময়ে ওই শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে জানায়, লম্বা চুল রাখার জন্য তাকে হেনস্থা করা হয়েছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. আব্দুস ছাত্তার বলেছেন, ‘অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়েছে। ভিকটিমের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুরো বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। এখন এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও ভুক্তভোগীরা।




