ডিএসইর ডেরিভেটিভস কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
ফিন্যান্সিয়াল ডেরিভেটিভস পণ্য চালু করার লক্ষ্যে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দাখিল করা কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ফলে শেয়ারবাজারে নতুন আর্থিক পণ্য ফিন্যান্সিয়াল ডেরিভেটিভস চালু করার প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে ইনডেক্স ফিউচার চালুর মাধ্যমে দেশে ডেরিভেটিভস পণ্যের লেনদেন শুরু হবে। সব প্রস্তুতি পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন হলে ২০২৮ সালের জানুয়ারিতে ডিএসইতে এ পণ্যের আনুষ্ঠানিক লেনদেন শুরু হতে পারে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিএসইসির ১০২৭তম কমিশন সভায় এ কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালামের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ডেরিভেটিভস পণ্য চালুর ক্ষেত্রে শুধু একটি নতুন লেনদেন ব্যবস্থা তৈরি করাই নয়, বরং এর সঙ্গে যুক্ত ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ ও লেনদেন নিষ্পত্তির জন্য শক্তিশালী অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ডেরিভেটিভস লেনদেন তুলনামূলক জটিল হওয়ায় যথাযথ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ছাড়া এ বাজার পরিচালনা করা কঠিন হতে পারে।
এদিকে ডিএসইর কর্মপরিকল্পনা অনুমোদনের পাশাপাশি এর বাস্তবায়নও নিয়মিত পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিএসই কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে কি না, তা নিয়মিত মনিটর করবে কমিশন। ফলে ডেরিভেটিভস চালুর প্রস্তুতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরদারির মধ্যেই থাকবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে ইনডেক্স ফিউচার দিয়ে লেনদেন শুরু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ধরনের চুক্তিতে নির্দিষ্ট একটি শেয়ারবাজার সূচকের ভবিষ্যৎ অবস্থানকে ভিত্তি করে লেনদেন করা হয়। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রচলিত শেয়ার কেনাবেচার বাইরে নতুন বিনিয়োগ কৌশল ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বাজারে ডেরিভেটিভস চালু হলে শেয়ারবাজারে আর্থিক পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ার পাশাপাশি বাজারের গভীরতা বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে। বিশেষ করে প্রাতিষ্ঠানিক ও অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীরা বাজারের সম্ভাব্য ওঠানামার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের পণ্য ব্যবহার করতে পারবেন।









