৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের বাড়তি দাম প্রত্যাহার
- বাড়তি ভর্তুকি দিতে হবে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা
- নতুন দাম কার্যকর জুন থেকে

সংগৃহীত ছবি
বাসাবাড়িতে প্রতি মাসে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের বাড়তি দাম দিতে হবে না। আগের দামেই বিল পরিশোধের সুযোগ পাবেন তারা। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণার এক দিনের মাথায় আজ বৃহস্পতিবার এ সিদ্ধান্ত জানাল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
আবাসিকে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণে ৬টি ধাপ রয়েছে। এক্ষেত্রে প্রথম ধাপ হলো— শুন্য থেকে ৫০ ইউনিট এবং দ্বিতীয় ধাপ শুন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত। সাধারণত নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির গ্রাহকরা এই দুই ধাপের অন্তর্ভুক্ত।
বুধবার বিইআরসি বিদ্যুতের যে নতুন দর ঘোষণা করে সেখানে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদেরও দাম বাড়ানো হয়। ওই দুই শ্রেণিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল যথাক্রমে ৬৯ ও ৯২ পয়সা।
পরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করে বাড়তি দাম প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়ে বিইআরসিকে চিঠি দেয় বিদ্যুৎ বিভাগ। একইসঙ্গে আবাসিকের লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের গ্রাহকদের বাড়তি দাম প্রত্যাহারের আবেদন করে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডও (পিডিবি)। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সব বিতরণ কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করে বাড়তি দাম প্রত্যাহারের আদেশ দেয় বিইআরসি।
এর ফলে আবাসিকে ‘লাইফলাইন’ শ্রেণির গ্রাহকের জন্য আগের দাম প্রতি ইউনিট ৪ টাকা ৬৩ পয়সা ও প্রথম ধাপের ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর দাম হবে প্রতি ইউনিট ৫ টাকা ২৬ পয়সা।
এর আগে মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবে পিডিবি ওই দুই শ্রেণির দাম না বাড়ানোর কথা জানায়। তবে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে বাড়ানো হয় দাম। এখন দাম না বাড়ানোয় প্রায় ৭০০ কোটি টাকা বাড়তি ভর্তুকি দিতে হবে সরকারকে।
প্রসঙ্গত, গতকাল পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ, সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম কার্যকর হবে জুন থেকেই।





