কুমিল্লা
আত্মহত্যায় বাধা দেওয়ায় মা-ভাতিজিকে হত্যা: পুলিশ

দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যায় সন্দেহভাজন ইমন (বাঁয়ে) ও ঘটনাস্থলে স্থানীয়দের ভিড়। ছবি: আগামীর সময়
কুমিল্লার দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যায় সন্দেহভাজন যুবক মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয়রা। বলা হচ্ছে, আত্মহত্যায় বাধা দেওয়ায় নিজ পরিবারের ওপর হামলা করেছেন তিনি।
উপজেলার বড়শালঘর দক্ষিণপাড়া মাস্টারবাড়ি এলাকার বাড়ি থেকে আজ সোমবার সকালে উদ্ধার করা হয় পেয়ারা বেগম (৬২) ও তার আট মাসের নাতনি ইশরাত জাহানের মরদেহ। আহত অবস্থায় পাওয়া যায় ইশরাতের মা রাবেয়া বেগমকে।
হত্যাকারী সন্দেহে স্থানীয়রা বাড়িতেই আটকে রাখেন পেয়ারার ছেলে মো. ইমনকে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। ইমন মানসিক ভারসাম্যহীন বলেও জানালেন প্রতিবেশীরা।
স্থানীয় মো. শামীম আহসান বলেছেন, সকালে চিৎকার শুনে তিনিসহ আশপাশের লোকজন ওই ঘরে যান। সেখানে দুইজনকে মৃত অবস্থায় দেখে ইমনকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন তারা।
দেবীদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানালেন, পেয়ারা বেগম ও রাবেয়া বেগমকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে। আর শিশু ইশরাতকে মারা হয়েছে আছড়ে ফেলে।
আহত রাবেয়াকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে নেওয়া হয় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া বলেছেন, ‘ছেলেটি (ইমন) গুরুতর অসুস্থতা ছিল। এ কারণে সে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। কিন্তু পরিবারের সদস্যদের বাধায় সে আত্মহত্যা করতে পারেনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে ধারণা করছি।’




