রাঙামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু
- আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা বাসিন্দাদের

রাঙামাটি পৌর এলাকার ২৮টি স্থানকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ছবি: আগামীর সময়
রাঙামাটিতে টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের ঘটনায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে বাঘাইছড়ি উপজেলার লাইল্যাঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম লক্ষ্মী বিলাস চাকমা।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটি পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডের মোট ১১টিসহ জেলায় ৪১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পৌর এলাকার ২৮টি স্থানকে পাহাড়ধস প্রবণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শিমুলতলী, রূপনগর, নতুনপাড়া, যুব উন্নয়ন এলাকা, ভেদভেদী ও লোকনাথ মন্দিরসহ কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে অসংখ্য পরিবারের বসবাস। তাদেরকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে কাজ করছে প্রশাসন। অতীতে এসব এলাকার অনেকগুলোতেই পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এরপরেও আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা রয়েছে স্থানীয়দের। ফলে আশ্রয়কেন্দ্রগুলো অনেকটাই শূন্য পড়ে আছে।
লড়াইয়ের ভেতরের লড়াই
০৭ জুলাই ২০২৬
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজানের ভাষ্য, টানা বর্ষণে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে সরে যেতে সবাইকে সতর্ক করা হচ্ছে। আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বসবাসকারীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।
চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের উপজেলার বালুচরা এলাকায় একটানা বৃষ্টির কারণে একটি বড় গাছ উপড়ে পড়েছে। একই সঙ্গে পাহাড়ের মাটি ধসে সড়কের ওপর জমা হয়েছে। ফলে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সড়কে যানবাহন ও মানুষের চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কাপ্তাই থানার ওসি শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল জানান, স্থানীয়দের সহায়তায় কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসের একটি দল গাছ অপসারণ ও সড়ক পরিষ্কারের কার্যক্রম শুরু করে। এতে যোগ দেয় বন বিভাগ ও পিডিবি।







