দুর্গাপূজার ছুটিতে সাজেকের সব কটেজ-রিসোর্টে বুকিং শেষ

ছবি: আগামীর সময়
দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা পাঁচ দিনের অবকাশকে কেন্দ্র করে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালির সব কটেজ ও রিসোর্টে শতভাগ বুকিং সম্পন্ন হয়েছে।
আগামী ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটিকে ঘিরে পর্যটকদের আগাম বুকিংয়ে আবাসনকেন্দ্রগুলো পূর্ণ হয়ে গেছে। ফলে আগাম বুকিং ছাড়া সাজেকে বেড়াতে গেলে কক্ষ না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়তে পারেন পর্যটকরা।
পাহাড়ের সারি, মেঘের ভেলা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত সাজেক ভ্যালিতে ছুটির সময়ে পর্যটকদের ব্যাপক সমাগম ঘটে। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে অবকাশ কাটাতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা এখানে আসেন। এবারও দুর্গাপূজার ছুটিকে সামনে রেখে আগাম বুকিংয়ের চাপ বেড়েছে।
সাজেকের স্বর্গপরি কটেজ মালিক মো হেলাল জানান, দুর্গাপূজার ছুটিকে ঘিরে পর্যটকদের আগাম বুকিংয়ের চাপ রয়েছে। নির্ধারিত ছুটির দিনগুলোতে আমাদের কটেজের কক্ষগুলো বুকিং হয়ে গেছে। অনেকে এখন যোগাযোগ করলেও পছন্দমতো কক্ষ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
সাজেকের সব কটেজ ও রিসোর্টে বুকিং সম্পন্ন হওয়ায় শেষ মুহূর্তে সেখানে গিয়ে কক্ষ পাওয়া কঠিন হতে পারে। অতীতে পর্যটকদের অতিরিক্ত চাপের সময় আবাসন না পেয়ে অনেকে বিকল্প স্থানে রাত কাটাতে বাধ্য হয়েছেন। এবারও আগাম বুকিং ছাড়া গিয়ে একই ধরনের পরিস্থিতিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে পরিবার ও শিশুদের নিয়ে ভ্রমণকারীদের আবাসন নিশ্চিত না করে যাত্রা করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
তাই পর্যটকদের সাজেকের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে কটেজ বা রিসোর্টের বুকিং নিশ্চিত করা, ভাড়া যাচাই করা এবং বুকিংয়ের সত্যতা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
কটেজ অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব সাজেকের সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জানান, বর্তমানে সাজেকের কটেজ ও রিসোর্টগুলোতে শতভাগ বুকিং রয়েছে। প্রতিবারের মতো এবারও পর্যটকদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত তারা।
এ ছাড়া পর্যটকদের ভোগান্তি এড়াতে আগে থেকেই আবাসন নিশ্চিত করে আসার পরামর্শ দেন কটেজ অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব সাজেকের সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা।




