চাঁদা নিয়ে দ্বন্দ্বে বহিষ্কৃত ৫ ছাত্রদল নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

সাগর খান, জুলহাস মৃধা, মির্জা গোলাম রায়হান, প্রিন্স খন্দকার ও সুমন শিকদার (বাম থেকে)
চাঁদা আদায়ে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে যুবদলের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় বহিষ্কৃত ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের পাঁচ নেতার বহিষ্কারাদেশ দুই মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই প্রত্যাহার করেছে কেন্দ্রীয় সংসদ। গত ১১ আগস্ট রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ওই সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১৪ জন আহত হন। পরদিন সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও শুক্রবার (৯ অক্টোবর) তা প্রত্যাহার করা হলো।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতারা হলেন ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুলহাস মৃধা, যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন শিকদার ও প্রিন্স খন্দকার এবং সদস্য সাগর খান ও মির্জা গোলাম রায়হান।
শুক্রবার ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এ তথ্য। এতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জুলহাস মৃধার প্রাথমিক সদস্যপদ এবং অন্য চার নেতার সাংগঠনিক পদে থাকা বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।
গত ১১ আগস্ট সন্ধ্যায় রাজধানীর নিউমার্কেটের বলাকা সিনেমা হলের সামনের ফুটপাতের দোকান ও ভ্যানগাড়ি থেকে চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। চাঁদা আদায়ে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিউমার্কেট থানা যুবদলের একাংশের সংঘর্ষ বাধে। পরে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের গলিতে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। আহত হন উভয় পক্ষের অন্তত ১৪ জন।
ঘটনার পরদিন ১২ আগস্ট যুবদলের পাঁচ নেতাকেও বহিষ্কার করা হয়। একই দিনে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের পাঁচ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় কেন্দ্রীয় সংসদ।
সে-সময় সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হলেও, দুই মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ছাত্রদলের পাঁচ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হলো।





