খুলনায় অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ২ ব্যাংক কর্মকর্তা ও এক ব্যবসায়ীর ৫ বছর কারাদণ্ড

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
খুলনায় প্রায় ৩ কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫৬১ টাকা আত্মসাতের মামলায় প্রাইম ব্যাংক লিমিটেডের খুলনা শাখার প্রাক্তন দুই কর্মকর্তা ও এক ব্যবসায়ীকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ৩ কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫৬১ টাকা ২৯ পয়সা জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়।
আজ সোমবার খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহা. আদীব আলী এই রায় ঘোষণা করেন। বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ইয়াছিন আলী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিই বর্তমানে পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন খুলনা নগরীর খান এ সবুর রোডের মেসার্স মিংহুয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ও সাজেদা ওয়াহাব অ্যান্ড সন্সের মালিক শেখ আবু রাশেদ, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড খুলনা শাখার প্রাক্তন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ জহিরুল হক এবং একই শাখার প্রাক্তন ফরেন এক্সচেঞ্জ ইনচার্জ কাজী রবিউল ইসলাম।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে অন্যায়ভাবে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার উদ্দেশ্যে ২০০৪ সালের ৬ ডিসেম্বর থেকে ২০০৫ সালের ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত এলসির মাধ্যমে আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য বাবদ ব্যাংকের পাওনা ৩ কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫৬১ টাকা ঋণপত্রের শর্ত ভেঙে পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করেন।
পরে ২০১১ সালের ২৯ মে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি তিনি আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর ২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের তৎকালীন বিচারক মো. জিয়া হায়দার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারকাজ শুরু করেন।



