খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
খুলনা বিভাগে একদিনে হাম ও ডেঙ্গুর প্রকোপে আরো ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঝিনাইদহে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে ২ জন এবং খুলনা জেলায় ডেঙ্গুতে ২ জন মারা গেছে। একই সময় খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় হাম ও ডেঙ্গু মিলিয়ে নতুন আরো ৩৭৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর থেকে প্রকাশিত পৃথক দুটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় (একদিন) বিভাগে নতুন করে ২৮৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ২৬০ জন ও বেসরকারি হাসপাতালে ২৪ জন। সর্বোচ্চ ভর্তি হয়েছে খুলনা জেলায় ৯৫ জন ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪৮ জন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিভাগে ৮ হাজার ১৯৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছে ২৭ জন। বর্তমানে ৯৩০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগে ৯০ জন নতুন সন্দেহজনক হামের রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে খুলনা জেলায় সর্বোচ্চ ২১ জন ভর্তি হন। এই সময়ে ঝিনাইদহে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়।
স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য মতে, ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ থেকে আজ বৃহস্পতিার পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ১০ হাজার ৯৮৮ জন সন্দেহজনক হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে ৪০ জন মারা গেছে।
এদিকে, একই দিনে ৪ জনের মৃত্যু ও ৩৭৪ জন নতুন আক্রান্তের ঘটনায় বিভাগের ১০ জেলায় ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে সতর্কতা এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার পরামর্শ দিয়েছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর।
এ ছাড়া ডেঙ্গুরোগ বিস্তাররোধে করণীয় নির্ধারণে অংশীজনদের বিশেষ সভা আজ বৃহস্পতিবার বিকালে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুনের সভাপতিত্বে তার সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার আবদুল্লাহ হারুন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। সচেতনতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রকোপ কমানো সম্ভব নয়। সভায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার জেলা প্রশাসকগণ অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
খুলনা বিভাগীয় কমিশানের সম্মেলনকক্ষে সভায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম, বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. মোশাররফ হোসেন, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান রাসেল, বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সরকারি-বেসরকরি হাসপাতালের অধ্যক্ষ ও পরিচালক, সিপিপি, স্কাউটস, রোভার স্কাউটসহ কমিটির সদস্যরা অংশ নেন।






