মালয়েশিয়ায় পাচারের আগেই ১৭ জনকে উদ্ধার

সংগৃহীত ছবি
কক্সবাজারের টেকনাফে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে একটি বাড়িতে আটকে রাখা ১৭ জনকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৫। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়।
এসআরবি জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের টেকনাফ ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে, সংঘবদ্ধ একটি মানবপাচারকারী চক্র কয়েকজন মানুষকে জোরপূর্বক অবৈধ পথে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে দক্ষিণ লম্বরী এলাকার মো. ইব্রাহীমের বাড়িতে জড়ো করেছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। পরে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১৭ জন পুরুষকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে বান্দরবানের লামা থানার মো. জাফর আলম, মো. নুরুল হুদা, মো. শাহিন শাহরিয়ার হৃদয়, মো. বেলাল, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. সাফায়েত হোসেন ও মো. জাফর আলম রয়েছেন। এ ছাড়া কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, সদর ও টেকনাফ এলাকার মো. মামুনুর রশিদ, মো. তাফসির, মো. আশরাফ হোসেন, মো. বাবুল, মো. আনসার উদ্দিন, মো. নুরুল আফসার, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. জোবায়ের ও মো. নুর মোস্তফাকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এসআরবির দাবি, আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে এবং জোরপূর্বক শ্রম আদায়ের ফাঁদে ফেলে এসব মানুষকে নৌপথে বিদেশে পাচারের জন্য ওই বাড়িতে জড়ো করেছিল মানবপাচারকারী চক্রটি।
অভিযানের পর পলাতক ও অজ্ঞাতনামা পাচারকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে এসআরবি-১৫। উদ্ধার হওয়া ১৭ জনকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।




