জামিনে বেরিয়ে হত্যার শিকার হত্যা মামলার আসামি, গ্রেপ্তার ১

কুমিল্লার তিতাসে জামিন পেয়ে এলাকায় আসা হত্যা মামলার আসামিকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজনকে। ঘটনার পাঁচ দিন পর শনিবার রাতে হয়েছে মামলা। ২৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন স্থানীয় সাইফুল মেম্বার নামের এক ব্যক্তি।
রাতেই মো. রাজিব নামের একজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে মামলায়। তথ্য জানিয়েছেন তিতাস থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিরুল হক।
নিহত আব্দুল লতিফ (৪৫) উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিককান্দি গ্রামের ধনু ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি ২০২২ সালে ভিটিকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম মোল্লা হত্যা মামলার আসামি।
থানাসূত্রে জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিককান্দি এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার সঙ্গে বিরোধ চলছিল সাইফুল মেম্বারের লোকজনের। এর জেরে ২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বর আবুল হোসেনের ছেলে যুবলীগ নেতা জহিরুলকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই মামলার আসামি ছিলেন লতিফ। জামিনে মুক্ত হয়ে তিন দিন আগে ফিরেছিলেন এলাকায়।
গত ১১ মে রাতে লতিফের ওপর হামলা হয় এলাকায়। পুলিশ গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে পাঠানো হয় ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে। সেখানে পরদিন তার মৃত্যু হয়।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, চব্বিশের ৫ আগস্টের পর সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হোসেন গ্রাম ছাড়েন। সে বছরের সেপ্টেম্বরে সাইফুল মেম্বার ও তার লোকজন গ্রামে ফিরলে আবুল হোসেনের লোকজনের সঙ্গে উত্তেজনা শুরু হয়। এর মধ্যে জামিনে ছাড়া পেয়ে লতিফ গ্রামে ফিরলে আবুল হোসেনের লোকজন তাকে হত্যা করে বলে অভিযোগ নিহতের বোন শিউলি আক্তারের।
তিতাস থানার ওসি মমিরুল বললেন, মামলার এজাহারনামীয় আসামি রাজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের ধরতে চলছে অভিযান।




