প্রতিপক্ষের গুলিতে ‘রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী’ নিহত

ফাইল ছবি
কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের গুলিতে এক রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি ডাকাত বাহিনী ‘জকির গ্রুপের’ সক্রিয় সদস্য ছিলেন। শুক্রবার সকালে আগামীর সময়কে এসব জানিয়েছেন ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক মোহাম্মদ কাউছার সিকদার।
বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ঘটনাটি ঘটে টেকনাফের নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ-ব্লকে।
নিহতের নাম হাসান আহমেদ ওরফে কালা হাসান (৪৫)। তিনি সুলতান আহমেদের ছেলে। থাকতেন নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ-ব্লকের ৬৩৪ নম্বর শেডে।
হাসানের বিরুদ্ধে তিনটি অস্ত্র মামলা, দুটি ডাকাতির প্রস্তুতি মামলা এবং দুটি অপহরণ মামলা বিচারাধীন বলেও জানিয়েছে এপিবিএন।
স্থানীয়দের বরাতে ব্যাটেলিয়ন অধিনায়ক জানালেন, ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার, মসজিদ কমিটি নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার কথা বলে মুচনী রেজিস্টার্ড ক্যাম্প কমিটির এক সদস্য রাতে হাসানকে ডেকে নেন। আগে থেকে ওত পেতে থাকা সাদ্দাম হোসেন নামে আরেক রোহিঙ্গার নেতৃত্বে ছয় থেকে সাত সশস্ত্র সদস্য তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
স্থানীয়রা হাসানকে প্রথমে ক্যাম্পসংলগ্ন জিকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার চিকিৎসক তাকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
কাউছার সিকদার আরও জানান, নয়াপাড়া এপিবিএনের একটি দল ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ গিয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
থানার পুলিশ পরিদর্শক সুকান্ত চৌধুরী জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ও সশস্ত্র সংঘর্ষের ঘটনায় সাধারণ ক্যাম্পবাসী চরম আতঙ্কে আছে বলে দাবি করেছেন রোহিঙ্গা নেতা জাফর আলম।




