Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
কৃষক গড়েছেন ব্যতিক্রমী কলেজ
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

ঘাঘটপারের বাঙ্গিতে মিটছে রংপুরের চাহিদা

রংপুর ব্যুরো
agamir somoy
প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ১৭:৫২
ঘাঘটপারের বাঙ্গিতে মিটছে রংপুরের চাহিদা

রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের বিভাগীয় সদর দপ্তরের সামনে প্রতিদিন বসে বাঙ্গির হাট। ছবি: আগামীর সময়

রংপুর নগরীর ঘাঘট নদের পারে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাঙ্গি চাষ করে আসছেন কয়েকটি কৃষক পরিবার। স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এ চাষ থেকে বাড়তি আয়ও করছেন তারা। কৃষকদের আশা, আধুনিক পদ্ধতিতে চাষের বিস্তার ঘটাতে পারলে রংপুরের সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসলে পরিণত হতে পারে বাঙ্গি।

রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের বিভাগীয় সদর দপ্তরের সামনে প্রতিদিন সকালে বসে বাঙ্গির হাট। পথচারীরা গাড়ি থামিয়ে কিনে নেন পছন্দের ফল। খুচরা বাজারে প্রতিটি বাঙ্গি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়। এসবই সড়কের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘাঘট নদের ওপারে উৎপাদিত।

ভোরে কৃষকরা ক্ষেত থেকে বাঙ্গি তুলে নদের এপারে এনে বিক্রি করেন। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পাইকাররা আবার সরাসরি ক্ষেত থেকেই বাঙ্গি কিনে নিয়ে যান।

সড়কের পাশে নিয়মিত বাঙ্গি বিক্রি করেন বকতিয়ারপুর পাঠানপাড়া গ্রামের কৃষক নুর ইসলাম। অন্তত ৪০ বছর ধরে তাদের পরিবার বাঙ্গি চাষ করে আসছে। বাপ-দাদার সময় থেকেই ঘাঘটপারের জমিতে বাঙ্গির আবাদ হয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় এখনো তারা ধরে রেখেছেন এ চাষ, জানালেন নুর  ইসলাম।

আরেক কৃষক জানান, বাঙ্গিক্ষেতে পৌঁছাতে পার হতে হয় ঘাঘট নদ। এ কারণে এখানকার চাষাবাদের বিষয়টি এখনো অনেকের অজানা। অন্য পথে পৌঁছাতে ঘুরতে হয় প্রায় তিন কিলোমিটার।

সরেজমিনে বকতিয়ারপুর পাঠানপাড়া এলাকায় দেখা যায়, নদের ধার ঘেঁষে পাশাপাশি অন্তত চার একর জমিতে আবাদ হয়েছে বাঙ্গির। ক্ষেত জুড়ে ছড়িয়ে আছে সবুজ ও হলুদ রঙের কাঁচা-পাকা ফল। কোথাও অতিরিক্ত পেকে ফেটে গিয়ে বাতাসে ছড়াচ্ছে মিষ্টি গন্ধ।

পাইকার আব্দুল করিম ও সোনা মিয়া জানিয়েছেন, প্রতি মৌসুমে তারা এখান থেকে বাঙ্গি কিনে ভ্যানে করে শহরের পাড়া-মহল্লায় বিক্রি করেন। স্থানীয়ভাবে বাঙ্গি চাষ হওয়ায় রংপুরে বাইরে থেকে আনতে হয় না।

৫০ শতক জমিতে বাঙ্গি চাষ করা কৃষক আমিনুর রহমান জানিয়েছেন, অন্য ফসলের তুলনায় বাঙ্গিতে লাভ বেশি। ক্ষেত থেকে পাইকাররা প্রতিটি বাঙ্গি গড়ে ৫০ টাকায় কিনে নেন। আর খুচরা বাজারে তা বিক্রি হয় ৬০-৭০ টাকায়।

কৃষক শিমুল মিয়া ও মো. লিটনে জানান, বকতিয়ারপুর পাঠানপাড়া গ্রামের অন্তত ৩০ জন কৃষক প্রতিবছর প্রায় চার একর জমিতে বাঙ্গি চাষ করেন। প্রতি বিঘা জমিতে চাষে খরচ হয় প্রায় ১৫ হাজার টাকা। আর বিক্রি করে পাওয়া যায় ৪০-৫০ হাজার টাকা। ফাল্গুনে বীজ রোপণ করে ফল তোলা হয় বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে। নিজেদের সংরক্ষিত বীজ ব্যবহার করেই বছরের পর বছর চাষ করে আসছেন।

তারা আরও জানান, একই জমিতে তিন ফসল হিসেবে বাঙ্গি, রোপা আমন ও আলু চাষ করা হয়। আধুনিক প্রযুক্তি ও সরকারি সহায়তা পেলে বড় পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব ঘাঘটপারের বাঙ্গি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুরের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাঙ্গি চাষের জন্য শুষ্ক ও উষ্ণ জলবায়ু এবং উর্বর বেলে দোআঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী। রংপুরের কয়েকটি উপজেলায় এখন প্রায় ১৫ হেক্টর জমিতে হচ্ছে এ ফলের আবাদ। সংশ্লিষ্ট কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে বাঙ্গি চাষ সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

বাঙ্গি চাষকৃষককৃষিরংপুরচাষ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise