হরিরামপুর
রাস্তা নিয়ে বিরোধ, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল

ছবি: আগামীর সময়
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের চালা ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও ঝাড়ু মিছিল করেছে এলাকাবাসী।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে ঝাড়ু মিছিলটি উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে বিক্ষোভ করেন তারা।
এ সময় বক্তারা বলেন, চালা ইউনিয়নের উত্তর চাঁনপুর ঈদগাহ মাঠ থেকে কল্যাণপুর আলেকের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটি চার বছর আগে নির্মাণ করা হয়। গত অর্থবছরে সরকারি বরাদ্দে রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছে। কিন্তু দুইজন জমির মালিক দুই মাস আগে তাদের জমির অংশে রাস্তাটি কেটে ফেলেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে পাঁচ গ্রামের হাজারো মানুষ।
গতকাল মঙ্গলবার ইউএনও অফিসে বিষয়টি মীমাংসার জন্য ইউএনও মহোদয় দুই পক্ষকে ডেকেছিলেন। কিন্তু মজিদ চেয়ারম্যানের জন্য আলোচনা ভেস্তে যায়। আমরা রাস্তা চাই, সাথে চেয়ারম্যানের অপসারণ চাই, বলেন বিক্ষোভকারীরা।
রতনদিয়া গ্রামের মোজাফফর খান বলেন, রাস্তা নির্মাণের জন্য ৩২ জন জমির মালিক জমি দিয়েছেন। কিন্তু স্থানীয় কাউসার বিশ্বাস লাভলু ও তার ভাই শামীম বিশ্বাস তাদের জমির অংশের প্রায় ২০০ ফিট রাস্তা রাস্তা কেটে ফেলেছেন। এতে রতনদিয়া, কল্যাণপুর, বরুনা, সাপাইর ও উত্তর চাঁনপুর গ্রামের মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে। লোকজনের চলাচল, কৃষিপণ্য পরিবহন, এমনকি অসুস্থ রোগীর যাতায়াতে খুবই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। চেয়ারম্যান কাজী আব্দুল মজিদ তাদের কাছে থেকে টাকা খেয়ে রাস্তার বিরুদ্ধে কথা বলছেন। তিনি বাঁধা দেওয়ার কারণে গতকাল ইউএনও অফিসে আলোচনা ভেস্তে গেছে। নাহলে একটা সমাধান হতো। আমরা তার অপসারণ চাই।
অভিযোগের বিষয়ে চালা ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আব্দুল মজিদ বলেন, কেউ যদি প্রমাণ করতে পারে আমি পাঁচ পয়সা খেয়েছি তাহলে যা শাস্তি দেবে আমি মাথা পেতে নেব। আমি রাস্তার পক্ষে। যেভাবেই হোক, যে পাশ দিয়েই হোক; রাস্তার পক্ষে আমি। আমি রাস্তা করতে কোনো বাঁধা দেইনি।
এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তারকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।




