নিখোঁজ শিশুর মরদেহের সন্ধান দিল খুনি নিজেই

ছবি: আগামীর সময়
শেরপুরে নিখোঁজের এক দিন পর ১১ বছরের শিশু সানজিদা আক্তারের মরদেহ প্রতিবেশীর টয়লেট থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় রামচন্দ্রকুড়া গ্রামের চাঁন মিয়া পাগলের বাড়ির টয়লেট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মা-বাবা হারা সানজিদাকে তার নানি চাঁন ভানু লালনপালন করে আসছিলেন। চাঁন ভানু রামচন্দ্রকুড়া গ্রামের বাসিন্দা।
এ ঘটনায় আজ শনিবার সানজিদার খালা সখিনা বেগম প্রতিবেশী বিল্লাল হোসেনকে প্রধান আসামি করে নালিতাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন নালিতাবাড়ী থানার ওসি আশরাফুজ্জামান।
স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, ৭ মে বিকালে সানজিদা প্রতিবেশী চাঁন মিয়া পাগলার বাড়িতে খেলতে যায়। সন্ধ্যার পর বাড়িতে না আসায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি করে তাকে। একপর্যায়ে প্রতিবেশী বিল্লালকে সন্দেহের কথা জানায় শিশুটির স্বজনেরা। পরে স্থানীয় লোকজনা বিল্লালের মা-বাবা ও বোনকে আটক করে চাপ সৃষ্টি করে। এ ঘটনা জানার পর পলাতক থাকা বিল্লাল নিজেই মোবাইল ফোনে কল করে সানজিদাকে হত্যার কথা জানান।
ওসি জানান, সানজিদাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ওসি আশরাফুজ্জামান বলেছেন, সানজিদার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মা-বাবা ও বোনকে জিজ্ঞেসাবাদ করা হচ্ছে। প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।




