সোনারগাঁ
চাঁদাবাজি ও পুলিশকে হুমকির অভিযোগে বিএনপি নেতাকে বহিষ্কার

শুক্কুর আলী
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চাঁদাবাজি, সরকারি সম্পত্তির অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগে শুক্কুর আলী নামে এক বিএনপি নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তার বিরুদ্ধে তালতলা বাজার তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক মো. জসীমউদ্দিনের সঙ্গে উগ্র আচরণ ও হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
আজ রবিবার জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আল আমিন মোল্লার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুস্পষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শুক্কুর আলীকে দলের সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত কোনো নেতার অপকর্মের দায় দল নেবে না। বিএনপির সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এতে জানানো হয়, জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আল মুজাহিদ মল্লিক ও সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম সানোয়ার ইতোমধ্যে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।
এ বিষয়ে বহিষ্কৃত নেতা শুক্কুর আলী বলেন, ‘কিছু ভুল বোঝাবুঝির কারণে পুলিশ পরিদর্শকের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। দল আমাকে বহিষ্কার করেছে। তবে এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না।’
জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আল মুজাহিদ মল্লিক বলেন, চাঁদাবাজি, পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার এবং দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শুক্কুর আলীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কোনো নেতাকর্মীর অপকর্মের দায় দল নেবে না।
গত ৫ এপ্রিল স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর চাঁদাবাজির অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ শুক্কুর আলী ও তার ছেলে মাসুদ মিয়াকে তালতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ডেকে নেয়। এ সময় পুলিশ পরিদর্শক জসীমউদ্দিন চাঁদাবাজির বিষয়টি জানতে চাইলে শুক্কুর চাঁদা তুলবেন বলে জানিয়ে দেন। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এ ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপির পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়। শুক্কুর আলী ২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের পর থেকে তালতলা এলাকায় বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিতে গড়ে ওঠা দোকানপাট থেকে মাসিক ভিত্তিতে নিয়মিত চাঁদা উত্তোলন করেছিলেন বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করেন।






