খানাখন্দে ভরা সড়ক, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

গর্ত ও খানাখন্দে ভরা মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার এসডি খান সড়ক। ছবি: আগামীর সময়
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার এসডি খান সড়ক। সড়কটির বিভিন্ন অংশে গর্ত ও খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন ও মানুষের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন চালক-যাত্রী ও পথচারীরা।
স্থানীয়রা জানালেন, মহাসড়কের মেঘনা সেতুর পূর্বপ্রান্তের জামালদী বাসস্ট্যান্ড থেকে হোসেন্দী বাজার হয়ে উপজেলা সদর পর্যন্ত বিস্তৃত সড়কটি। সড়কটির জামালদী বাসস্ট্যান্ড থেকে হোসেন্দী বাজার পর্যন্ত অংশের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। গত শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ওই সড়কের জামালদী মধ্যপাড়া এলাকায় ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশা উল্টে নারী, শিশুসহ কয়েকজন যাত্রী আহত হন।
এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন, বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির কারণে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। বেহাল সড়কটির কারণে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী, রোগী ও বয়স্ক মানুষের বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্কুলশিক্ষক কামরুজ্জামান রাসেল বললেন, ‘ভাঙা ও খানাখন্দে ভরা সড়কের জন্য অনেক শিক্ষার্থী সঠিক সময়ে স্কুলে পৌঁছাতে পারে না।'
মোটরসাইকেল আরোহী ইমরান হোসেন জানালেন, জামালদী বাসস্ট্যান্ড থেকে লস্করদী তৈয়ব শাহ সেতু পর্যন্ত সড়ককে মনে হয় ঢেউ খেলানো যাত্রা।
যানবাহনের চালকরা জানালেন, ঝুঁকি নিয়ে চালাতে হচ্ছে গাড়ি। রাস্তা উঁচুনিচু ও গর্ত থাকায় নষ্ট হচ্ছে গাড়ির যন্ত্রাংশ। যাত্রীদের বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে থাকতে হয় উদ্বেগের মধ্যে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, এই সড়কে স্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর পণ্যবাহী ভারী যানবাহন চলাচল করে। তাই এতে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দের।
এসডি খান সড়কের লস্করদী এলাকায় প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে একটি সেতু নির্মাণের কথা থাকলেও গত চার বছরে শুরু হয়নি কাজ। লস্করদী এলাকার তৈয়ব শাহর বাড়ির পাশে খালের ওপর ২৫ মিটার দৈর্ঘ্য ও পৌনে ১০ মিটার প্রস্থের সেতুটি নির্মিত হবে।
গজারিয়া উপজেলা প্রকৌশলী সামিউল আরেফিন বলেছেন, লস্করদী এলাকায় সেতু নির্মাণের জায়গায় ভূমি-সংক্রান্ত জটিলতা থাকায় সেতু নির্মাণকাজ ঝুলে রয়েছে।
তিনি জানালেন, সড়কটি কিছু অংশ সিসি ঢালাই করা হয়েছে। বাজেট পাওয়া সাপেক্ষে বাকি অংশের কাজ পর্যায়ক্রমে করা হবে।






