রাসিক প্রশাসক
রাজশাহীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন করা হচ্ছে

ছবি: আগামীর সময়
রাজশাহী মহানগরীর বর্জ্যব্যবস্থাপনা আরও আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব করতে নতুন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, টেকসই নগর উন্নয়ন এবং তরুণদের সম্পৃক্ত করে নাগরিক উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আজ সোমবার দুপুরে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নগর ভবনের সরিৎ দত্ত গুপ্ত সভাকক্ষে আয়োজিত এক অ্যাডভোকেসি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সিরাক বাংলাদেশর উদ্যোগে Urban Climate & Waste Justice Initiative (UCWJI)-এর আওতায় এ সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বললেন, নগর জলবায়ু ও বর্জ্যব্যবস্থাপনা নিয়ে সিরাক বাংলাদেশের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তরুণদের সম্পৃক্ত করে নগর উন্নয়নে কাজ করার উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। নগরীর বর্জ্যব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করতে নতুন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি বলেছেন, মাদকমুক্ত যুবসমাজ গড়ে তোলা এবং ক্রীড়ার বিকাশে মহানগরীতে খেলার মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। জাপানে জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে সিরাক বাংলাদেশকে পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রাসিক সচিব সোহেল রানা। প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন সিরাক-বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ও -ইউএন-হ্যাবিট্যাট যুব উপদেষ্টা পর্ষদের উপদেষ্টা এস এম সৈকত।
স্বাগত বক্তব্য দেন সিরাক বাংলাদেশের উপপরিচালক (প্রোগ্রাম) মো. সেলিম মিয়া। বক্তব্য দেন রাসিকের নগর পরিকল্পনাবিদ বনি আহসান। প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম উপস্থাপন করেন সিরাক-বাংলাদেশের প্রজেক্ট ম্যানেজার লুৎফা পাঠান।
সভায় নগর যুব কাউন্সিলের কর্মপরিকল্পনা, কার্যক্রম ও কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।
উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণকারীরা নগরীর জলবায়ু পরিবর্তন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্ভাব্য করণীয় নিয়েও মতামত দেন তারা।
সভায় নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং নাগরিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে তরুণদের নেতৃত্বে নগর উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ওপর জোর দেওয়া হয়।
নগর যুব কাউন্সিলকে জলবায়ু পরিবর্তন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি নাগরিক পর্যায়ে ইতিবাচক পরিবর্তনের অন্যতম অংশীদার হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও নগর যুব কাউন্সিলের সদস্যরা অংশ নেন।






