গোপালগঞ্জ
ঘেরের পাশের অনাবাদি জমিতে বাড়ছে অসময়ের তরমুজ চাষ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ার ঘেরের পাশে বাড়ছে অসময়ের তরমুজ চাষ। ছবি: আগামীর সময়
কয়েক বছর আগে ঘেরের পাশের অনাবাদি জমিতে তরমুজ চাষ শুরু করেন গোপালগঞ্জের অল্প কয়েকজন কৃষক। তাদের সফলতা দেখে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তরমুজ চাষ করা কৃষকের সংখ্যা। এখন প্রতি বছরই বাড়ছে আবাদ। ঘেরের পাশের অব্যবহৃত জমি কাজে লাগিয়ে এখন বাড়তি আয় করছেন তারা।
গোপালগঞ্জের সদর, কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কৃষকেরাও আগ্রহী হয়ে উঠেছেন তরমুজ চাষে। ভালো ফলন ও বাজারে চাহিদা থাকায় তরমুজ বিক্রি করে লাভের মুখ দেখছেন তারা।
কৃষকেরা জানান, অসময়ের তরমুজ রসালো ও মিষ্টি। খেতেও সুস্বাদু। বাজারে এর চাহিদা থাকায় ভালো দাম পাওয়া যায়। ফলে কম সময়ে ভালো ফলন পেয়ে তারা লাভবান হচ্ছেন।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রদীপ হালদার জানিয়েছেন, প্রায় সাত বছর আগে একজন কৃষক ঘেরের পাশে অসময়ের তরমুজ চাষ শুরু করেন। তার দেখাদেখি এখন অন্তত ৩০ জন কৃষক ব্ল্যাক সুইট, বেঙ্গল টাইগার ও সোনিয়া জাতের তরমুজ চাষ করছেন।
তরমুজ চাষি দিলীপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, আগে তাদের ঘেরের পাশের জমি অনাবাদি পড়ে থাকত। কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও কৃষি উপকরণ সহায়তা পেয়ে সেখানে তরমুজ চাষ শুরু করেন। এ বছরও ফলন ভালো হয়েছে। ভালো দামে তরমুজ বিক্রি করে লাভবান হওয়ার আশা করছেন তিনি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ খামারবাড়ির উপপরিচালক ড. মামুনুর রহমান বলেছেন, আগে কৃষকেরা ঘেরপাড়ে শুধু শাকসবজি চাষ করতেন। এখন তরমুজ চাষ করে তারা তুলনামূলক বেশি লাভবান হচ্ছেন। ফলে ঘেরপাড়ের অনাবাদি জমি কাজে লাগানোর পাশাপাশি কৃষকের আয়ও বাড়ছে।







