Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
৫ হাজার ব্যাগ রক্ত জোগাড় করে দিয়েছেন তৌফিক
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

গলাচিপা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ‘স্বাস্থ্য’ ভালো নেই

নাসির উদ্দিন, গলাচিপা (পটুয়াখালী)
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩০
গলাচিপা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ‘স্বাস্থ্য’ ভালো নেই

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

চিকিৎসক ও জনবল-সংকট, জরাজীর্ণ ভবন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব এবং ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ বেশি রোগীর চাপ। সব মিলিয়ে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যসেবা চলছে অনেকটা জোড়াতালির ওপর ভর দিয়ে। দক্ষিণাঞ্চলের দুর্গম এ হাসপাতালটি শুধু গলাচিপা নয়, পাশের রাঙ্গাবালী ও দশমিনা উপজেলার হাজারো মানুষেরও প্রধান ভরসা। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত ও চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকটের কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাত বছর ধরে হাসপাতালটিতে নেই আলট্রাসনোগ্রাম (আলট্রাসাউন্ড) মেশিন। ফলে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাতে যেতে হচ্ছে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এতে বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয়।

এ ছাড়া হাসপাতালে এখনো নেই আধুনিক ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন। সেবা দেওয়া হচ্ছে বহু বছরের পুরনো অ্যানালগ এক্স-রে মেশিন দিয়েই। চিকিৎসকদের ভাষ্য, এতে পাওয়া যায় না মানসম্মত ছবি। ফলে বেশিরভাগ রোগীকেই বাইরে গিয়ে করাতে হয় ডিজিটাল এক্স-রে।

এদিকে চিকিৎসা সরঞ্জামের পাশাপাশি হাসপাতাল ভবনের অবস্থাও নাজুক। খসে পড়ছে বিভিন্ন ওয়ার্ড ও কক্ষের ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা। এতে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

অন্যদিকে কক্ষ সংকটও তীব্র। পর্যাপ্ত কক্ষ না থাকায় অনেক সময় একই কক্ষে রোগী দেখতে হয় দুজন চিকিৎসককে।

সূত্রে জানা যায়, ৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে প্রতিদিন ইনডোরে ভর্তি থাকেন ১৫০-২০০ রোগী। আর বহির্বিভাগে প্রতিদিন চিকিৎসা নেন ৩০০-৪০০ জন। অর্থাৎ ধারণক্ষমতার তিন থেকে চার গুণ বেশি রোগীর চাপ সামাল দিচ্ছে হাসপাতালটি।

গলাচিপার বাসিন্দা সরোয়ার জাহান বাবুল বলেছেন, ‘এখানে আলট্রাসনোগ্রাম নেই, আধুনিক এক্স-রে নেই, ভবনও ঝুঁকিপূর্ণ। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ, আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন, চিকিৎসক ও জনবল বৃদ্ধি এবং ওষুধ রি-এজেন্টের বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মেজবাহ উদ্দিন বলেছেন, ‘গলাচিপা উপজেলার চার লাখের বেশি মানুষ এই হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল। এ ছাড়া রাঙ্গাবালী ও দশমিনা উপজেলা থেকেও প্রতিদিন অনেক রোগী এখানে আসেন। কিন্তু ৫০ শয্যার হাসপাতাল দিয়ে এ চাপ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক সময় শয্যা না থাকায় রোগীদের মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দিতে হয়, আবার কেউ বাধ্য হয়ে অন্যত্র চলে যান।’

‘বর্তমান বরাদ্দ রোগীর তুলনায় খুবই অপ্রতুল। প্রতিদিন নতুন করে ৫০-১০০ রোগী ভর্তি হন। সার্বক্ষণিক হাসপাতালে ১৫০-২০০ রোগী ভর্তি থাকেন। ওষুধ ও রি-এজেন্টের বরাদ্দ বাড়ানো গেলে আরও ভালো সেবা দেওয়া সম্ভব হবে’— যোগ করেন তিনি।

চিকিৎসা সরঞ্জামের বিষয়ে ডা. মেজবাহ উদ্দিনের ভাষ্য, ‘ডিজিটাল যুগেও আমরা বহু বছরের পুরনো অ্যানালগ এক্স-রে মেশিন ব্যবহার করছি। গাইনি বিভাগের আলট্রাসনোগ্রাম মেশিনও আট বছর ধরে বিকল। নতুন যন্ত্রপাতির জন্য কয়েকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।’

হাসপাতালের ভবন সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ‘ভবনটি অত্যন্ত পুরনো। মেরামতের পরও বারবার ফাটল দেখা দেয়। জোড়াতালি দিয়ে দীর্ঘদিন একটি হাসপাতাল চালানো সম্ভব নয়।’

আলট্রাসাউন্ডআলট্রাসনোগ্রামহাসপাতাল
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    জাপানের প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা

    জাপানের প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০০:০৯

    দিল্লির আন্দোলনে জামায়াতের সংহতিপত্রের দাবিটি সত্য নয়

    দিল্লির আন্দোলনে জামায়াতের সংহতিপত্রের দাবিটি সত্য নয়

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০০:০০

    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ১০ কি.মি. যানজট, চরম ভোগান্তি

    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ১০ কি.মি. যানজট, চরম ভোগান্তি

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০০:২৭

    ৫ হাজার ব্যাগ রক্ত জোগাড় করে দিয়েছেন তৌফিক

    ৫ হাজার ব্যাগ রক্ত জোগাড় করে দিয়েছেন তৌফিক

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৮

    প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদী ছাত্রনেতা ধর্মেন্দ্রই আজ প্রশ্নফাঁসের নায়ক

    প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদী ছাত্রনেতা ধর্মেন্দ্রই আজ প্রশ্নফাঁসের নায়ক

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৫

    প্রথম সপ্তাহেই বাস ভাড়া কমানোর বার্তা বার্নহ্যামের

    প্রথম সপ্তাহেই বাস ভাড়া কমানোর বার্তা বার্নহ্যামের

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৮

    রাত বাড়তেই উত্তপ্ত দিল্লির যন্তর-মন্তর

    রাত বাড়তেই উত্তপ্ত দিল্লির যন্তর-মন্তর

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৫১

    ‘ভুতুড়ে’ সিরিজ খেলে ফিরল বাংলাদেশ

    ‘ভুতুড়ে’ সিরিজ খেলে ফিরল বাংলাদেশ

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৫

    মর্নিং স্টার

    মর্নিং স্টার

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪২

    নেই সিমন-ইয়ামাল

    নেই সিমন-ইয়ামাল

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৫

    ওফেলিয়া: মঞ্চনাটক, চিত্রকলা ও চলচ্চিত্রে

    ওফেলিয়া: মঞ্চনাটক, চিত্রকলা ও চলচ্চিত্রে

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:১৪

    গৌতম ঘোষের মাস্টারক্লাস

    গৌতম ঘোষের মাস্টারক্লাস

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৪১

    ১৩ বছরের জোবাইদের ওজন ৫

    ১৩ বছরের জোবাইদের ওজন ৫

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৬

    রক্তাক্ত শিশুকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মা

    রক্তাক্ত শিশুকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মা

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৯

    জগন্নাথ জিউ ঠাকুর মন্দিরের উল্টো রথযাত্রা আগামীকাল

    জগন্নাথ জিউ ঠাকুর মন্দিরের উল্টো রথযাত্রা আগামীকাল

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:১৩

    advertiseadvertise