৩৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা

নগরের কাতালগঞ্জ এলাকায় জলাবদ্ধতা। ছবি: নীল আঁখি বড়ুয়া
ভারী বৃষ্টিপাতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রামের নিচু এলাকা। বিশেষ করে সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে নগরের বেশকিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছে। টানা মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড়ধসের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
আজ মঙ্গলবার নগরের চকবাজার, কাপাসগোলা, কাতালগঞ্জ, পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকা, ডিসি রোড, তেলপট্টি, চান্দগাঁও, বাদুরতলাসহ বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন ছিল। সোমবার রাত থেকেই এখানে পানি উঠতে থাকে। অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টির কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কোথাও হাঁটু পরিমাণ আবার কোথাও হাঁটুর চেয়ে বেশি পরিমাণ পানিতে তলিয়ে যায়।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় তারা ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। আবহাওয়াবিদ মাহমুদুল আলম জানান, মৌসুমী নিম্নচাপের কারণে এই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সমুদ্র বন্দরগুলোকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া পাহাড়ধসের সতর্কবার্তা রয়েছে।
আরও দুই থেকে তিন দিন মাঝারি ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানান তিনি।
পাহাড়ধসের আশঙ্কায় নগরের মতিঝরনা, আকবরশাহ, ১ নম্বর ঝিল, ২ নম্বর ঝিল, বিজয় নগর, জিয়া নগর, বেলতলীগোনা, খুলশী, বায়েজিদ, সলিমপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর সোমবার থেকে মাইকিং শুরু করেছে। তারা বাসিন্দাদের পাহাড় থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তবে এসব নির্দেশ বাসিন্দারা কানে তুলছেন না।
নগরের লালখান বাজার ও আকবরশাহ এলাকায় দুটি স্কুলে পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে বসবাসরত বাসিন্দাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। নগরের বিভিন্ন পাহাড়ের ঝুঁকিতে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার পরিবার বসবাস করে।





