Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের কল্যাণই রেজাউলের ব্রত
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিদেশ

নাভি পিল্লাই

ম্যান্ডেলার লড়াইয়ের সঙ্গী, ফিলিস্তিনি-রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচারের কণ্ঠ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:২৮
ম্যান্ডেলার লড়াইয়ের সঙ্গী, ফিলিস্তিনি-রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচারের কণ্ঠ

নাভি পিল্লাই— সংগৃহীত ছবি

একসময় দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। যে লড়াইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নেলসন ম্যান্ডেলার নাম। পরে করেছেন রুয়ান্ডার গণহত্যার বিচার, কাজ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারপ্রধান হিসেবেও। গাজায় গণহত্যার অভিযোগ নিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিশ্বরাজনীতির বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছিলেন তিনি। আর মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলাতেও যুক্ত রয়েছেন আন্তর্জাতিক এ বিচারক, নাভি পিল্লাই।

যে পৃথিবীতে ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কথা বলা, যুদ্ধাপরাধের জবাবদিহি চাওয়া কিংবা গণহত্যার অভিযোগের তদন্ত করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে, সেই পৃথিবীতেই আন্তর্জাতিক আইন ও ন্যায়বিচারের পক্ষে কাজ করছেন পিল্লাই। আর এর স্বীকৃতি হিসেবে শুক্রবার নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ঘোষণা করা হয়েছে ৮৫ বছর বয়সী এই দক্ষিণ আফ্রিকান আইনজ্ঞের নাম।

দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনব্যবস্থার সময় দারিদ্র্যপীড়িত পরিবারে বেড়ে ওঠেন নাভি পিল্লাই। তিনি নাটাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৬৩ সালে স্নাতক এবং ১৯৬৫ সালে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৬৭ সালে তিনি নাটাল প্রদেশে আইন পেশায় যুক্ত হওয়া প্রথম নারী হিসেবে নিজের আইনজীবী প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৯৯৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্টের প্রথম অশ্বেতাঙ্গ নারী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান।

পরবর্তী সময়ে তিনি হার্ভার্ড ল স্কুল থেকে আইনে স্নাতকোত্তর (মাস্টার অব লজ) এবং জুরিডিক্যাল সায়েন্সে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।

ম্যান্ডেলার লড়াইয়ের সঙ্গী

নাভি পিল্লাইয়ের আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবনের শুরু দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনামলে। এ সময় তিনি বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের কর্মী ও রাজনৈতিক বন্দিদের বিভিন্ন মামলায় কাজ করেন। ওই সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল ১৯৬৩-৬৪ সালের রিভোনিয়া বিচার। নাশকতার অভিযোগে এই বিচারের রায়ে নেলসন ম্যান্ডেলা ও আরও সাতজন আন্দোলনকর্মীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বিচারটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদসহ আন্তর্জাতিক মহলের নিন্দার মুখে পড়ে।

পরবর্তী সময়ে পিল্লাইয়ের আইনি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে রবেন দ্বীপে ম্যান্ডেলার কারাবাসের বিষয়টি যুক্ত হয়। ১৯৭৩ সালে তিনি কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেন এবং সেখানে আটক রাজনৈতিক বন্দিদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা আদায়ে সফল হন।

এ ছাড়া ১৯৭১-৭২ সালে সন্ত্রাসবাদ আইনের আওতায় পরিচালিত একটি মামলায় তিনি আসামিপক্ষের আইনজীবী দলের সদস্য ছিলেন। ওই মামলার লক্ষ্য ছিল জিজ্ঞাসাবাদের সময় বেআইনি ও নির্যাতনমূলক পদ্ধতি ব্যবহারের অভিযোগ সামনে আনা।

বর্ণবাদী শাসনামলে পিল্লাইয়ের আইনি কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক বন্দিদের জীবনযাত্রার পরিস্থিতির উন্নতি এবং তাদের অধিকার সুরক্ষায় ভূমিকা রেখেছিল।

রুয়ান্ডার গণহত্যার বিচারে ঐতিহাসিক ভূমিকা

রুয়ান্ডার গণহত্যার বিচার নাভি পিল্লাইয়ের আন্তর্জাতিক আইনজীবী জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডায় তুতসি জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যার পর অপরাধীদের বিচারের জন্য জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে।

১৯৯৫ সালে পিল্লাই এই ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত হন। ১৯৯৯ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত তিনি ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তার বিচারিক কাজের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত জ্যঁ-পল আকায়েসুর মামলা।

তাবা এলাকার সাবেক মেয়র আকায়েসুর বিরুদ্ধে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল। ১৯৯৮ সালের ২ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনাল তাকে গণহত্যা, গণহত্যায় সরাসরি ও প্রকাশ্যে উসকানি এবং ধর্ষণসহ একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে। এই মামলার রায়ে প্রথমবারের মতো কোনো আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল স্বীকৃতি দেয়, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতা গণহত্যার অংশ হতে পারে।

রায়টি আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনে ঐতিহাসিক নজির তৈরি করে, কারণ এতে যৌন সহিংসতাকে শুধু যুদ্ধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে নয়, একটি জনগোষ্ঠীকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে সংঘটিত অপরাধ হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। রুয়ান্ডার ট্রাইব্যুনালে পিল্লাইয়ের এই কাজ পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ও মানবাধিকার আইনের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির প্রধান ইয়র্গেন ওয়াটনে ফ্রিডনেস নাভি পিল্লাইয়ের একটি ছবি দেখাচ্ছেন— রয়টার্স গাজায় গণহত্যার অভিযোগ

গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ও ফিলিস্তিনিদের ওপর এর প্রভাব নিয়ে নাভি পিল্লাইয়ের ভূমিকা তার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মকাণ্ডের অন্যতম আলোচিত অধ্যায়। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হলে বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি নিহত হন, বাস্তুচ্যুত হন লাখো মানুষ এবং ধ্বংস হয় বিস্তীর্ণ আবাসিক এলাকা ও বেসামরিক অবকাঠামো।

এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশন কাজ করে, যার নেতৃত্বে ছিলেন পিল্লাই। ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কমিশন জানায়, গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েল গণহত্যা করেছে বলে তারা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

কমিশনের মূল্যায়নে গণহত্যা সনদে উল্লিখিত পাঁচ ধরনের অপরাধের মধ্যে চারটি সংঘটিত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায় এবং সেগুলোর পেছনে ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করার অভিপ্রায় ছিল বলে উল্লেখ করা হয়। কমিশন আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তার বক্তব্যকে গণহত্যায় উসকানির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মূল্যায়ন করে।

২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের তৃতীয় কমিটিতে দেওয়া বক্তব্যেও পিল্লাই গাজায় গণহত্যা, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং ফিলিস্তিনিদের ভূমি ও আবাসনসংক্রান্ত অধিকার নিয়ে উদ্বেগ তুলে ধরেন।


আরও পড়ুন

যুদ্ধাপরাধের বিচারক নাভি পিল্লাইয়ের স্বীকৃতি শান্তির নোবেলে

০৯ অক্টোবর ২০২৬

রোহিঙ্গাদের ক্ষত থেকে ন্যায়বিচারের কাঠগড়ায়


মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে নাভি পিল্লাইয়ের অবস্থান দীর্ঘদিনের। ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার থাকাকালে তিনি রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, পদ্ধতিগত বৈষম্য ও নাগরিকত্ব সংকট নিয়ে উদ্বেগ জানান। বিশেষ করে ২০১২ সালে রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার পর তিনি রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের আহ্বান জানান।



পরে রোহিঙ্গা সংকট আন্তর্জাতিক বিচারিক প্রক্রিয়ায় গড়ালে তাতেও যুক্ত হন পিল্লাই। ২০১৯ সালে গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গণহত্যার মামলা করে। এই মামলায় গাম্বিয়ার মনোনীত বিশেষ বিচারক (অ্যাড হক জাজ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন পিল্লাই।


২০২৬ সালের জানুয়ারিতে মামলার শুনানিতে তিনি মিয়ানমারের প্রতিনিধিদের কাছে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় দেশটির সামরিক বাহিনী কী পদক্ষেপ নিয়েছিল, তার উদাহরণ জানতে চান। মামলাটির মূল প্রশ্ন হলো, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের কর্মকাণ্ড ১৯৪৮ সালের গণহত্যা সনদ লঙ্ঘন করেছে কি না।



ভারতীয় শিকড়


১৯৪১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ডারবানের ক্লেয়ারউডে ভারতীয় তামিল বংশোদ্ভূত এক পরিবারে নাভি পিল্লাইয়ের জন্ম। তার পূর্বপুরুষেরা ভারত থেকে চুক্তিবদ্ধ শ্রমিক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েছিলেন। উনিশ শতকে চিনি উৎপাদনশিল্পে শ্রমিকের চাহিদা মেটাতে ব্রিটিশরা ভারত থেকে বিপুলসংখ্যক শ্রমিককে নাটাল অঞ্চলে নিয়ে যায়। তাদের পরবর্তী প্রজন্মের অনেকেই দক্ষিণ আফ্রিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।


পিল্লাই বেড়ে ওঠেন এমন এক সমাজে, যেখানে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষদেরও বর্ণবাদী বৈষম্যের শিকার হতে হতো। তার বাবা নারাইনস্বামী নাইডু ছিলেন বাসচালক, আর মা সান্থামা সংসার সামলাতেন। আট সন্তানের পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা ছিল না। কিন্তু সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও মেয়েদের পড়াশোনার বিষয়ে আপস করেননি তার মা।


ডারবানের ক্লেয়ারউড এলাকায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের জন্য নির্ধারিত পরিবেশে বেড়ে ওঠা পিল্লাই ছোটবেলা থেকেই বৈষম্যের বাস্তবতা দেখেছেন। পরবর্তী সময়ে সেই অভিজ্ঞতাই তার আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী হিসেবে গড়ে ওঠার পেছনে ভূমিকা রাখে।



তথ্যসূত্র : রয়টার্স, এনডিটিভি, সাউথ আফ্রিকান হিস্ট্রি, ইউএনআইসিটিআর, আইসিজে

নাভি পিল্লাইনোবেল শান্তি পুরস্কারদক্ষিণ আফ্রিকাম্যান্ডেলারোহিঙ্গাফিলিস্তিন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ডেঙ্গু সামলাতে অনুমোদন পাচ্ছে ‘কিউডেঙ্গা’ টিকা

    ডেঙ্গু সামলাতে অনুমোদন পাচ্ছে ‘কিউডেঙ্গা’ টিকা

    বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা মাহদীকে

    বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা মাহদীকে

    নানার মৃত্যুতে তনুশ্রী বললেন ‘ইভিল ডেডের পেছনে ছুটবে মিডিয়া’

    নানার মৃত্যুতে তনুশ্রী বললেন ‘ইভিল ডেডের পেছনে ছুটবে মিডিয়া’

    সেই চোখ, সে চিৎকার এবং সে নীরবতা

    সেই চোখ, সে চিৎকার এবং সে নীরবতা

    কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে সাংবাদিকের মা-বাবার ওপর হামলা

    কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে সাংবাদিকের মা-বাবার ওপর হামলা

    বিএসইসির ১২ নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্বে বড় রদবদল

    বিএসইসির ১২ নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্বে বড় রদবদল

    কুমিল্লায় কিশোরী হত্যা: চট্টগ্রামে আটক অটোরিকশাচালক

    কুমিল্লায় কিশোরী হত্যা: চট্টগ্রামে আটক অটোরিকশাচালক

    মোহনগঞ্জে গাছের মগডাল থেকে সাবেক সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার

    মোহনগঞ্জে গাছের মগডাল থেকে সাবেক সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার

    বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক হলেন শেখ মাহবুব উর রহমান

    বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক হলেন শেখ মাহবুব উর রহমান

    শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির বলি হয়েছিল আবরার ফাহাদ : আব্দুল কাদের

    শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির বলি হয়েছিল আবরার ফাহাদ : আব্দুল কাদের

    বরগুনায় বিএনপির নেতাদের সামনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

    বরগুনায় বিএনপির নেতাদের সামনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

    হৃদরোগের ১৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা তদন্ত কমিটি

    হৃদরোগের ১৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা তদন্ত কমিটি

    জব্দ আলামতে পাওয়া গেল  সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডিএনএ’র মিল

    জব্দ আলামতে পাওয়া গেল সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডিএনএ’র মিল

    ন্যাশনাল ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য সুখবর

    ন্যাশনাল ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য সুখবর

    কী আছে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তিতে?

    কী আছে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তিতে?