Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
৫০ হাজার তালবীজ রোপণ কামালের
শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় যুক্তরাষ্ট্র

ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের ছয় ব্যর্থতা

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ১৫:২২
ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের ছয় ব্যর্থতা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি চূড়ান্ত ও ঐতিহাসিক বিজয় অর্জনের দাবি করে আসছেন। একাধিক জাতীয় ভাষণে ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে, আইআরজিসির কমান্ড অচল হয়ে পড়েছে, ইরানের নৌবাহিনী নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, বিমানবাহিনী বিলুপ্ত হয়েছে এবং দেশটির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র গুদামগুলো প্রায় শেষ বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

তিন মাস পর ওয়াশিংটনের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা মূল্যায়ন, স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক তথ্য এবং আমেরিকানদের জনমত জরিপ তুলে ধরেছে এক সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। নির্ভরযোগ্য পশ্চিমা ও আন্তর্জাতিক সূত্রের ওপর ভিত্তি করে এই বিশ্লেষণে এমন ছয়টি ক্ষেত্র পরীক্ষা করা হয়েছে, যেখানে যুদ্ধের ঘোষিত উদ্দেশ্যগুলো অর্জিত হয়নি এবং বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে এমন ফলাফল তৈরি হয়েছে যা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পরিপন্থী।

১. ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি থামাতে ব্যর্থতা

এই যুদ্ধের মূল কারণ ছিল ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র সক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখা। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে নাতাঞ্জ, ফোরডো এবং ইসফাহান কেন্দ্রগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। কিন্তু দেশটির প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার একটি গোপনীয় প্রাথমিক মূল্যায়ন এবং পরবর্তী স্যাটেলাইট প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ক্ষয়ক্ষতি মূলত ভূপৃষ্ঠের কাঠামো, প্রবেশপথ এবং সহায়ক স্থাপনাগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। গুরুত্বপূর্ণ ভূগর্ভস্থ অংশ এবং উন্নত সেন্ট্রিফিউজগুলো যথেষ্ট পরিমাণে অক্ষত ছিল। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচিটি ছয় থেকে আঠারো মাস পিছিয়ে গেছে, কিন্তু পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি।

জাতিসংঘের পরমাণু নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইএইএ-এর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি ঘোষণা করেছেন, ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধতায় সমৃদ্ধ প্রায় ৪০০ কিলোগ্রাম ইউরেনিয়ামের আর কোনো হিসাব তিনি দিতে পারছেন না। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন, ওয়াশিংটন ওই মজুদগুলোর সঠিক অবস্থান সম্পর্কে অবগত নয়।

২. হরমুজ প্রণালি: ইরানের হাতে তুলে দেওয়া একটি অর্থনৈতিক অস্ত্র

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরান প্রকল্পের পরিচালক আলী ভায়েজের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় কৌশলগত ভুল ছিল তেহরানের হাতে এমন একটি জিনিস তুলে দেওয়া, যাকে তিনি ‘গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অস্ত্র’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর সক্রিয় নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। এমনকি একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির পরেও কঠোর বিধিনিষেধ এবং অতিরিক্ত খরচের মধ্যে জাহাজ চলাচল অব্যাহত ছিল। হরমুজ সংকট দ্রুত একটি বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে পরিণত হয়, যাকে বিশ্লেষকরা ১৯৫৬ সালের সুয়েজ খাল সংকটের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

৩. যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের ওপর অর্থনৈতিক আঘাত

সাধারণ আমেরিকান পরিবারগুলোর ওপর যুদ্ধের প্রভাব ছিল প্রত্যক্ষ ও দ্রুত। অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৬৭ ডলার থেকে বেড়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ১১০ থেকে ১২০ ডলারেরও বেশি হয়ে যায়, যা ছিল ৮০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি। যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি রাজ্যে পেট্রলের দাম প্রতি গ্যালনে পাঁচ ডলার ছাড়িয়ে যায়। বিমান টিকিটের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে যায়। জ্বালানি সরবরাহ চেইনের ওপর মূল্যস্ফীতি বিভিন্ন দেশের পরিবারগুলোর ওপর চাপ আরও তীব্র করে তোলে।

অর্থনীতিবিদ এবং সেন্টার ফর আমেরিকান প্রগ্রেস সতর্ক করে দিয়েছিলেন, যুদ্ধ-পূর্ববর্তী মূল্যস্তরে ফিরে আসা খুব কঠিন হবে। এটি ট্রাম্পের জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর, যিনি যুদ্ধের আগে তিন ডলারের কম দামে পেট্রল বিক্রিকে একটি উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

৪. যুক্তরাষ্ট্রে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট

যুদ্ধটি ওয়াশিংটনের জন্য দ্রুত একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকটে পরিণত হয়। ২০২৬ সালের এপ্রিলে রয়টার্স/ইপসোস-এর একটি জরিপে ট্রাম্পের জনসমর্থন ৩৪ থেকে ৩৬ শতাংশে ছিল। এপি-এনওআরসি এবং স্ট্রেংথ ইন নাম্বারস সমীক্ষায় এই হার প্রায় ৩৩ থেকে ৩৫ শতাংশ পাওয়া যায়। মাত্র ৩৪ শতাংশ আমেরিকান সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিল। ট্রাম্পের অর্থনৈতিক জনসমর্থন প্রায় ২৩ থেকে ২৫ শতাংশে নেমে আসে। স্বতন্ত্র ভোটারসহ অধিকাংশ ভোটার এই যুদ্ধকে ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে মূল্যায়ন করেন, যার উদ্দেশ্যগুলো পূরণ হয়নি।

৫. ট্রাম্পের স্ববিরোধী অবস্থান

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এবং অন্যান্য গণমাধ্যম ট্রাম্পের বিজয়ের দাবি এবং বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যেকার ফারাকটি বিশদভাবে তুলে ধরেছিল। ট্রাম্প যখন পূর্ণাঙ্গ বিজয় এবং আসন্ন চুক্তির কথা বলছিলেন, তখন ইরানের ক্ষমতার কাঠামো অক্ষত ছিল, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ হয়নি, হরমুজ প্রণালির ওপর নতুন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং ইউরেনিয়ামের মজুদ হস্তান্তর করা হয়নি। এই বৈপরীত অবস্থা যুদ্ধ সম্পর্কে ট্রাম্প প্রশাসনের দেওয়া বিবরণের বিশ্বাসযোগ্যতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল।

৬. ব্যর্থ ও অপরিপক্ক কৌশল

আমেরিকান বিশ্লেষকরা পরিকল্পনার ব্যর্থতাগুলো সরাসরিভাবে চিহ্নিত করেছেন। নিউইয়র্ক টাইমস এবং সিএনএন-এর সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, শুরু থেকেই যুদ্ধ শেষ করা বা এর অর্থনৈতিক পরিণতি সামাল দেওয়ার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের কোনো সুস্পষ্ট কৌশল ছিল না। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন, ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতা চিন্তাও করতে পারেনি ওয়াশিংটন। ইরানের অস্ত্রের কার্যকর ব্যবহার এবং রাশিয়া ও চীনের পরোক্ষ সমর্থন পেন্টাগনের পূর্বাভাসকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

যুদ্ধকে বৈধতা দিতে ট্রাম্প যে তিনটি বিষয় ব্যবহার করেছেন— পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা, হরমুজ প্রণালি নিরাপদে আবার চালু করা এবং আমেরিকার অর্থনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করা— সেগুলো তো অর্জিত হয়নি এবং বিপরীত ফল দিয়েছে। ক্ষতি সত্ত্বেও ইরান তার প্রতিরোধের সর্বোচ্চ দেখিয়েছে, নতুন দর কষাকষির সুযোগ তৈরি করেছে এবং প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে আমেরিকার উদ্দেশ্যকে ব্যর্থ করে দিয়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল সামরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মূল্য দিতে হয়েছে, অন্যদিকে তার বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়া ও চীন এই সংকটকে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য ব্যবহার করেছে।

মেহের নিউজ থেকে অনূদিত, অনুবাদ : মাহমুদুল হাসান রিফাত 

আমেরিকা-ইরানইরান যুদ্ধ
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    চালক মোবাইলে কথা বলতে বলতেই চালাচ্ছিলেন, উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাস

    চালক মোবাইলে কথা বলতে বলতেই চালাচ্ছিলেন, উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাস

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

    বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ১.৭ কেজির রূপচাঁদা, বিক্রি হলো ৪ হাজার টাকায়

    বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ১.৭ কেজির রূপচাঁদা, বিক্রি হলো ৪ হাজার টাকায়

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:৪৩

    লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালিত

    লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালিত

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:০৪

    পুলিশকে পিটিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছি, বললেন এনসিপি নেতা

    পুলিশকে পিটিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছি, বললেন এনসিপি নেতা

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৬

    যুদ্ধের মোড় ঘুরতেই মিয়ানমারে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা

    যুদ্ধের মোড় ঘুরতেই মিয়ানমারে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:২৬

    আবদুল এল-সাইয়েদের জয়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, কমিউনিজম নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য!

    আবদুল এল-সাইয়েদের জয়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, কমিউনিজম নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য!

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৩

    ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিজ্ঞান ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে একসঙ্গে কাজে লাগাতে হবে

    ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিজ্ঞান ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে একসঙ্গে কাজে লাগাতে হবে

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:০২

    ট্রলি ব্যাগভর্তি জাল টাকার নোটে স্বর্ণ কেনার চেষ্টা, যুবক আটক

    ট্রলি ব্যাগভর্তি জাল টাকার নোটে স্বর্ণ কেনার চেষ্টা, যুবক আটক

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৯

    দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

    দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩০

    পুলিশকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে

    পুলিশকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০২:০৫

    ৫০ হাজার তালবীজ রোপণ কামালের

    ৫০ হাজার তালবীজ রোপণ কামালের

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০২:৩৯

    আসিফ ইকবাল জিতলেন শ্রেষ্ঠ গীতিকারের পুরস্কার

    আসিফ ইকবাল জিতলেন শ্রেষ্ঠ গীতিকারের পুরস্কার

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:০৯

    দারাজ দিচ্ছে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়

    দারাজ দিচ্ছে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:১৮

    পথচারীর হাতে লাল কার্ড!

    পথচারীর হাতে লাল কার্ড!

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩৬

    দুর্গম চরে স্বাস্থ্যসেবার নীরব সংকট

    দুর্গম চরে স্বাস্থ্যসেবার নীরব সংকট

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩৫

    advertiseadvertise