যুদ্ধবিরতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী

সংগৃহীত ছবি
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রায় ১ হাজার ফুট লম্বা এবং ১ লাখ টন ওজনের বিশালাকার তৃতীয় এই জাহাজটি ৮০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান বহন করতে সক্ষম।
বৃহস্পতিবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানায়, নিমিটজ-ক্লাসের পারমাণবিক শক্তিচালিত রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ তাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় পৌঁছেছে।
এর আগে থেকেই এই অঞ্চলে ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ এবং ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ মোতায়েন রয়েছে।
একই দিনে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানাতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেছেন, আমাকে বাধ্য করবেন না তাড়াহুড়ো করতে।
কৌশলগত গবেষণা সংস্থা সিএসআইএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের পর এই প্রথম মধ্যপ্রাচ্যে একসঙ্গে তিনটি মার্কিন রণতরী অবস্থান করছে। অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন কার্ল শুস্টার মনে করেন, শান্তি আলোচনার আগে ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ বাড়াতেই এই পদক্ষেপ।
সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে গেলে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ওপর নতুন করে হামলার পরিকল্পনা তৈরি করছে পেন্টাগন। বিশেষ করে ইরানের ছোট দ্রুতগামী হামলাকারী বোট এবং মাইন স্থাপনকারী জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে এই হামলা হতে পারে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য ও ভারত মহাসাগর মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট ২৬টি যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে। যদি ইউএসএস বুশ অন্য কোনো রণতরীর বিকল্প হিসেবে নয়, বরং অতিরিক্ত শক্তি হিসেবে মোতায়েন থাকে, তবে এটি ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের এক নজিরবিহীন সামরিক অঙ্গীকার হিসেবে বিবেচিত হবে।
সূত্র : সিএনএন

