ককরোচ জনতা পার্টি
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ২০ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের অবস্থানের হুঁশিয়ারি

সংগৃহীত ছবি
ডাক্তারি ভর্তি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন জাতীয় পরীক্ষা নিয়ে বিতর্ক, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এবং চাকরিপ্রার্থীদের ক্ষোভের প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দেশব্যাপী আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। দাবি পূরণ না হলে আগামী ২০ জুন থেকে দিল্লির যন্তর মন্তরে অনির্দিষ্টকালের অবস্থান কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার পুনে থেকে শুরু হবে আন্দোলন। এরপর পর্যায়ক্রমে লখনউ, অমৃতসর, বেঙ্গালুরু, জয়পুর ও হায়দরাবাদে হবে বিক্ষোভ কর্মসূচি।
অভিজিৎ দীপকের অভিযোগ, ‘প্রশ্নফাঁস হচ্ছে, সার্ভার ভেঙে পড়ছে, শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা ভুগছেন। এর দায় কে নেবে?’ একই সঙ্গে সরকারের নীতির সমালোচনা করার ক্ষেত্রে সন্তানদের কণ্ঠরোধ না করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সংগঠনটির অভিযোগ, বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা পরিচালনায় বারবার অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও দায় নিচ্ছে না কেউ। সম্প্রতি নিট বা ডাক্তারি ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে বিতর্ক, বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে অভিযোগ এবং পরীক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্নকে সামনে রেখেই জোরদার হচ্ছে আন্দোলন। আন্দোলনকারীদের দাবি, লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীর ভবিষ্যৎ পড়েছে অনিশ্চয়তার মুখে।
গত ৬ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির প্রথম বড় সমাবেশ হয়। নিজেদের ‘তরুণদের দ্বারা, তরুণদের জন্য এবং তরুণদের রাজনৈতিক মঞ্চ’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া সংগঠনটি সেখানেও দাবি তোলে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের।
উল্লেখযোগ্যভাবে, গত মে মাসে দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক বিতর্কের পর আত্মপ্রকাশ ঘটে ককরোচ জনতা পার্টির। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে সংগঠনটি।
অভিজিৎ দীপকের ভাষ্য, ক্ষমতাসীনরা একজনের কণ্ঠরোধ করতে পারে, কিন্তু সবাই একসঙ্গে কথা বললে সেই আওয়াজ থামানো যাবে না।




