চকরিয়ায় বন্যপ্রাণী রক্ষায় অভিযান, পাচারকারীকে কারাদণ্ড

সংগৃহীত ছবি
কক্সবাজারের চকরিয়ায় উদ্ধার করা হয়েছে একটি মুখপোড়া হনুমান ও ১২টি কচ্ছপ।
এ ঘটনায় বন্যপ্রাণী পাচারকারীর এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ফরহান সাদিক ঘোষণা করেন এ রায়।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম মো. হাদিস রহমান (৪০)। তিনি রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকার সুলতান মিয়ার ছেলে।
চুনতি বন্যপ্রাণী ও অভয়ারণ্য রেঞ্জ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চকরিয়া পৌরশহরের ভাঙারমুখ স্টেশনসংলগ্ন একটি বাসায় বন্যপ্রাণী পাচারের উদ্দেশ্যে কিছু প্রাণী মজুত করা হয়েছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন বিভাগ সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানে একটি মুখপোড়া হনুমান ও ১২টি কচ্ছপ উদ্ধার করা হয় এবং পাচারচক্রের সদস্য হিসেবে হাদিস রহমানকে করা হয় আটক।
পরবর্তীতে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০১২ অনুযায়ী বন বিভাগ দায়ের করে মামলা। শুনানি শেষে আদালত এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন তাকে।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এই পাচারচক্রের সঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের শিকারিদের যোগাযোগ রয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ও বিদেশে পাচার করে আসছিল।
চুনতি বন্যপ্রাণী ও অভয়ারণ্য রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ বলেছেন, মুখপোড়া হনুমান প্রাইমেট প্রজাতির একটি বিপন্ন প্রাণী। উদ্ধার হওয়া হনুমান ও কচ্ছপগুলো আপাতত রেঞ্জ কার্যালয়ে রাখা হবে। চিকিৎসা ও পরিচর্যা শেষে সুস্থ হলে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে করা হবে অবমুক্ত।




