Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
জৌলুশ ছেড়ে গ্রামের স্কুলে নায়লা
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের গুনতে হবে ৭০ হাজার ডলার

রয়টার্স
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:২৫
যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের গুনতে হবে ৭০ হাজার ডলার

ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করতে চাইলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ বাবদ অন্তত ৭০ হাজার ডলার দিতে হবে। এমনটাই প্রস্তাব করেছে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস)। অনলাইনে বুধবার প্রকাশিত এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রস্তাবের কথা জানানো হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের বিদেশি ভিসাধারীদের ওপর ব্যাপক কড়াকড়ির অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে এ উদ্যোগ।

প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, এফ-১ ভিসাধারী অ-অভিবাসী শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের জন্য ‘অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং’ (ওপিটি) নামে পরিচিত কর্মসূচিতে একটি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে ৭০ হাজার ডলার দিতে হবে। অতিরিক্ত যেকোনো কর্মপ্রশিক্ষণের জন্য দিতে হবে আরও ৩০ হাজার ডলার।

ডিএইচএস বলেছে, নতুন নিয়মের উদ্দেশ্য হলো ‘জালিয়াতি মোকাবিলা করা, অভিবাসন ব্যবস্থার অখণ্ডতা জোরদার করা এবং মার্কিন কর্মীদের সুরক্ষা দেওয়া।’

ওপিটি ব্যবস্থার আওতায় বিদেশি শিক্ষার্থীরা ক্লাস চলাকালে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা কাজের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। স্নাতক হওয়ার পরও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই সুযোগ থাকে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত বিষয়ে (এসটিইএম) ডিগ্রিধারীরা অতিরিক্ত সময়ের জন্য এ সুবিধা পেয়ে থাকেন। বর্তমানে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের প্রায় ৫০০ ডলার দিতে হয়।

ডিএইচএস বলেছে, ‘এফ-১ অ-অভিবাসী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ যথাযথ কর্মকাণ্ডে নিয়োগকর্তা, শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানগুলো অংশ নিচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতেই ডিএইচএস এখন এই ফি নির্ধারণ করছে।’

আরও পড়ুন

আমাকে পুরস্কার না দিলে নোবেলের অসম্মান হবে, দাবি ট্রাম্পের

০৮ অক্টোবর ২০২৬

এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রায়ই এইচ-১বি ভিসায় চাকরি খুঁজতে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করে। ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১বি কর্মসূচিকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং এ ক্ষেত্রে ফি বাড়ানো হয়েছে।

কয়েক দশক ধরে এইচ-১বি কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে ভারত ও চীন থেকে আসা তরুণ প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানীরা যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরের পর বছর পড়াশোনাকে উচ্চ বেতনের চাকরিতে পরিণত করার সুযোগ পেয়েছেন। একই সঙ্গে এটি তাদের স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের পথও খুলে দিয়েছে। দক্ষ জনবলের পদ পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোও এসব কর্মীর ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।


২০২৪ সালে নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়ার সুযোগ সহজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, স্নাতক হওয়ার পর তাদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রিন কার্ড দেওয়া উচিত।


ডিএইচএসের অন্যান্য অনুরূপ প্রস্তাবের মতো এই নিয়ম পরিবর্তনও দ্রুত আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।


বিদেশি এসটিইএম পেশাজীবীদের যুক্তরাষ্ট্রে আকৃষ্ট করতে কাজ করা ট্যালেন্ট মোবিলিটি ফান্ডের পরিচালক ডগ র‍্যান্ড বুধবার লিংকডইনে লিখেছেন, ‘এই প্রস্তাব আদালতে ভালো করবে না। ১ লাখ ডলারের এইচ-১বি ফি এবং অভিবাসন সীমিত করার অন্যান্য নীতিও যেভাবে আদালতে বাতিল হয়েছে, এটিও তেমন পরিণতির মুখে পড়বে।’

চূড়ান্ত করার আগে প্রস্তাবটির ওপর ৩০ দিন জনমত গ্রহণ করা হবে। ডিএইচএস জানিয়েছে, নিয়মটি চূড়ান্ত হওয়ার পর তা কার্যকর করতে আরও ৬০ দিন অপেক্ষা করা হবে, যাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও নিয়োগকর্তারা প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পান।


যুক্তরাষ্ট্রবিদেশি শিক্ষার্থী
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবিপ্রবির ১৮ শিক্ষার্থী

    প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবিপ্রবির ১৮ শিক্ষার্থী

    ডেঙ্গু সামলাতে অনুমোদন পাচ্ছে ‘কিউডেঙ্গা’ টিকা

    ডেঙ্গু সামলাতে অনুমোদন পাচ্ছে ‘কিউডেঙ্গা’ টিকা

    ছাত্র অধিকারকর্মীকে নির্যাতনের পর অপহরণচেষ্টা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ছাত্র অধিকারকর্মীকে নির্যাতনের পর অপহরণচেষ্টা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    নানার মৃত্যুতে তনুশ্রী বললেন ‘ইভিল ডেডের পেছনে ছুটবে মিডিয়া’

    নানার মৃত্যুতে তনুশ্রী বললেন ‘ইভিল ডেডের পেছনে ছুটবে মিডিয়া’

    সেই চোখ, সে চিৎকার এবং সে নীরবতা

    সেই চোখ, সে চিৎকার এবং সে নীরবতা

    বিনিয়োগ পরামর্শে আসছে লাইসেন্সধারী আর্থিক পরামর্শক: বিএসইসি কমিশনার

    বিনিয়োগ পরামর্শে আসছে লাইসেন্সধারী আর্থিক পরামর্শক: বিএসইসি কমিশনার

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    ব্যাগ হারিয়ে রেলস্টেশনে বসে কাঁদছিলেন জার্মান পর্যটক

    ব্যাগ হারিয়ে রেলস্টেশনে বসে কাঁদছিলেন জার্মান পর্যটক

    কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে সাংবাদিকের মা-বাবার ওপর হামলা

    কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে সাংবাদিকের মা-বাবার ওপর হামলা

    রোগীর কেনা ওষুধ অপারেশন থিয়েটার থেকে যেভাবে ফেরে ফার্মেসিতে

    রোগীর কেনা ওষুধ অপারেশন থিয়েটার থেকে যেভাবে ফেরে ফার্মেসিতে

    বিএসইসির ১২ নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্বে বড় রদবদল

    বিএসইসির ১২ নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্বে বড় রদবদল

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    সেই ‘বিহারি বগা’র কাছে শেষ পর্যন্ত চেয়ার হারালেন ওসি রহিম

    সেই ‘বিহারি বগা’র কাছে শেষ পর্যন্ত চেয়ার হারালেন ওসি রহিম

    ‘ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’ ফেসবুকে চিকিৎসকের পোস্ট

    ‘ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’ ফেসবুকে চিকিৎসকের পোস্ট