এক ঝলক
মিগুয়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চার ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে এ তথ্য। প্রেসিডেন্ট ছাড়াও নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছেন দিয়াজ-কানেলের স্ত্রী লিস কুয়েস্তা পেরাজা, কাস্ত্রো পরিবারের দুজন সদস্যসহ অন্য এক ব্যক্তি। নিষেধাজ্ঞা পাওয়া প্রতিষ্ঠানগেুলোর মধ্যে রয়েছে কিউবার বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয়সহ আরও চারটি প্রতিষ্ঠান। দেশটির কমিউনিস্ট নেতাদের ওপর চাপ বাড়াতে ওয়াশিংটন ধারাবাহিকভাবে যে পদক্ষেপ নিচ্ছে, দিয়াজ-কানেলের বিরুদ্ধে এ নিষেধাজ্ঞা তারই সর্বশেষ অংশ বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
২০১৮ সাল থেকে ক্যারিবীয় অঞ্চলের এ দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ৬৬ বছর বয়সী দিয়াজ-কানেল। কিউবার সাবেক বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর ভাই রাউল কাস্ত্রোর কাছ থেকে এ দায়িত্ব নেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, যুক্তরাষ্ট্র চায়, কিউবা যেন একটি ‘চমৎকারভাবে পরিচালিত দেশ হয়। ঠিক তখনই এ নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা এলো। এদিকে, বৃহস্পতিবার এক্সে এক পোস্টে এ নিষেধাজ্ঞাকে ‘নিন্দনীয়’ বলে উল্লেখ করেছেন কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ। একে মার্কিন হস্তক্ষেপের একটি বড় উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বললেন, ‘দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্বের পরিস্থিতি তৈরি করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপই ব্যর্থ হতে বাধ্য।’




