সাড়ে ৬ কোটি পাউন্ডে বিক্রি হচ্ছে ঐতিহাসিক প্রাসাদ

সংগৃহীত ছবি
ব্রিটিশ চ্যানেলের অবস্থিত স্বায়ত্তশাসিত গার্নসি দ্বীপের ঐতিহাসিক প্রসাদ হ্যাভিল্যান্ড হল ৬ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডে বিক্রির জন্য বাজারে তোলা হয়েছে। প্রায় ৮০ একর জমির ওপর বিস্তৃত প্রসাদটি একসময় দ্বীপের লেফটেন্যান্ট গভর্নর ও পরে মার্মালেড ব্যবসায়ী এবং অস্কারজয়ী দুই অভিনেত্রীর আবাসস্থল ছিল।
বিলাসবহুল প্রসাদটিতে রয়েছে ৬টি বেডরুম এবং ৭টি বাথরুম। অভ্যর্থনা কক্ষ রয়েছে পাঁচটি। রয়েছে একটি ইনডোর সুইমিংপুল, সাজানো বাগান, বিস্তৃত পার্ক এলাকা এবং কৃষিজমি। একে দ্বীপের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিমালিকানাধীন সম্পত্তি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।
প্রায় ২০০ বছরের ইতিহাস রয়েছে প্রসাদটির। কিছু সময়ের জন্য এর মালিক ছিলেন মার্মালেড ব্যবসায়ী উইলিয়াম কিলার। অস্কারজয়ী অভিনেত্রী অলিভিয়া ডি হ্যাভিল্যান্ড ও জোয়ান ফন্টেইনের পরিবার ছিল এর আদি মালিক।
প্রসাদটি বিক্রির দায়িত্বে থাকা আবাসন প্রতিষ্ঠান স্যাভিলস জানিয়েছে, চ্যানেল দ্বীপপুঞ্জে এ ধরনের বড় সম্পত্তি ‘অত্যন্ত বিরল’। এটি বিশ্বজুড়ে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।
১৮২৯ থেকে ১৮৩০ সালের মধ্যে লেফটেন্যান্ট কর্নেল থমাস ফিওট ডি হ্যাভিল্যান্ড এটি নির্মাণ করেন। পরে এটি গার্নসির লেফটেন্যান্ট গভর্নরদের সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উইলিয়াম কিলারও এই সম্পত্তির সাবেক মালিকদের একজন। তার পরিবারের হাত ধরেই ডান্ডিতে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে মার্মালেডের ব্র্যান্ড তৈরি হয়েছিল।
১৯২২ সালে সম্পত্তিটি কিনেছিলেন কাউন্ট লোথার ব্লুখার ফন ভালস্টাট। ডি হ্যাভিল্যান্ড পরিবারের সঙ্গেও সম্পত্তিটির যোগসূত্র রয়েছে। এই পরিবারের উত্তরসূরিদের মধ্যে ছিলেন উড়োজাহাজ নির্মাণের পথিকৃৎ স্যার জিওফ্রে ডি হ্যাভিল্যান্ড এবং অভিনেত্রী অলিভিয়া ডি হ্যাভিল্যান্ড ও জোয়ান ফন্টেইন।
মূল বাড়ির পাশাপাশি সম্পত্তিটিতে রয়েছে অতিথিদের জন্য পাঁচটি কটেজ, কর্মীদের আবাসন, অফিসের জায়গা, খামারবাড়ি, মদের ভান্ডার এবং গেমস রুম।
স্যাভিলসের কান্ট্রি বিভাগের প্রধান ফিলিপা ডালবি-ওয়েলশ হ্যাভিল্যান্ড হলকে ‘চ্যানেল দ্বীপপুঞ্জের অন্যতম সেরা সম্পত্তি’ বলে বর্ণনা করেছেন।
সূত্র: বিবিসি।



