পেরুর নির্বাচনে জয়ী কেইকো ফুজিমোরি

পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী রক্ষণশীল নেতা কেইকো ফুজিমোরি। ছবি : রয়টার্স
দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের বিক্ষোভ, ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এবং বিতর্কিত ব্যালট পুনর্গণনার পর পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রক্ষণশীল নেতা কেইকো ফুজিমোরিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন।
কমিশনের ঘোষণায় বলা হয়েছে, গত ৭ জুন অনুষ্ঠিত রান অফ (চূড়ান্ত দফা) নির্বাচনে ফুজিমোরি ৫০ দশমিক ১৩৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বামপন্থী কংগ্রেস সদস্য রবার্তো সানচেজ পেয়েছেন ৪৯ দশমিক ৮৬৫ শতাংশ ভোট। প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ ভোটের মধ্যে মাত্র ৪৯ হাজার ৬৪১ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
এটি ৫১ বছর বয়সী ফুজিমোরির চতুর্থ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। আগামী ২৮ জুলাই তিনি শপথ গ্রহণের মাধ্যমে ২০১৬ সালের পর পেরুর দশম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।
তবে নির্বাচনের ফল মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন রবার্তো সানচেজ। তিনি ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তুলে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং এ বিষয়ে আন্তঃআমেরিকান মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগও করেছেন।
ফুজিমোরির বিজয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আন্তর্জাতিক আর্থিক বাজার। রেটিং সংস্থা মুডিজ বলেছে, তার সরকারনীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে এবং স্থগিত থাকা খনিজ, বিশেষ করে তামা খনির প্রকল্পগুলো এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।
কেইকো ফুজিমোরি সাবেক প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফুজিমোরির কন্যা। মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে কারাদণ্ড পাওয়া বাবার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার যেমন তার জন্য সমর্থনের উৎস, তেমনি দেশটির রাজনীতিতে বিতর্কেরও অন্যতম কারণ।
রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত পেরুকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা হবে তার নতুন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ।
সূত্র : রয়টার্স




