Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
মনিরুলের ‘মানবতার দুয়ার’
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিদেশ

কেন তীরে আটকে পড়া তিমি বাঁচানো এত কঠিন?

বিবিসি
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ১৬:৫৭
শেয়ার করুন:
কেন তীরে আটকে পড়া তিমি বাঁচানো এত কঠিন?

সংগৃহীত ছবি

১৪ মে ২০২৬। ডেনমার্কের ছোট দ্বীপ আনহোল্টের অগভীর উপকূলে ঢেউয়ের সঙ্গে দুলছিল একটি বিশাল দেহ। প্রায় ১২ মিটার লম্বা একটি কুঁজপিঠ তিমি। মাঝে মাঝে সিগাল এসে ঠোকর দিচ্ছিল তার নিথর শরীরে। কিছুক্ষণ পর ডেনমার্কের পরিবেশ সংস্থা নিশ্চিত করল—এটাই তিমি।

দুই মাস ধরে বেঁচে থাকার সংগ্রামে বিশ্বজুড়ে লাখো মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া সেই তিমির গল্পের সেখানেই শেষ অধ্যায়। কিন্তু তিমির মৃত্যু শুধু একটি সামুদ্রিক প্রাণীর করুণ পরিণতি নয়। এটি এমন এক প্রশ্নও সামনে নিয়ে এসেছে, যার উত্তর সহজ নয়— তীরে আটকে পড়া একটি তিমিকে বাঁচানো এত কঠিন কেন?

আরও পড়ুন

যেখানে গভীর সমুদ্র নিজেই উঠে আসে মানুষের কাছে

০৭ জুন ২০২৬


তিমির গল্প শুরু হয়েছিল জার্মানির টিমেনডর্ফার স্ট্র্যান্ড উপকূলে। একটি মাছ ধরার জালে আংশিকভাবে জড়িয়ে পড়েছিল সে। তখনও তার শরীরের বেশিরভাগ অংশ পানিতে ছিল। ফলে কিছুদিন বেঁচে থাকতে পেরেছিল। তাকে উদ্ধারের জন্য শুরু হয় নানা উদ্যোগ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তার ছবি-ভিডিও। লাখো মানুষ তার জন্য প্রার্থনা করে, উদ্বেগ প্রকাশ করে।

বিশেষজ্ঞরা অবশ্য শুরু থেকেই সতর্ক ছিলেন। তাদের মতে, তিমির শারীরিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক।

আন্তর্জাতিক তিমি কমিশনের পরামর্শ ছিল, প্রাণীটির কষ্ট দীর্ঘায়িত না করে প্রকৃতির নিয়মে তাকে শেষ হতে দেওয়া। কিন্তু আবেগের কাছে বাস্তবতা হার মানে। দুইজন দাতা প্রায় ১৫ লাখ ইউরো ব্যয় করে একটি বিশেষ জলভর্তি বার্জের মাধ্যমে তিমিকে আবার সমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে।

আরও পড়ুন

যেখানে শত তিমির নিঃশ্বাসে জেগে ওঠে সমুদ্র

২২ এপ্রিল ২০২৬


সেদিন অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো নতুন জীবন পেয়েছে প্রাণীটি। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই সেই আশার সমাপ্তি ঘটে। অবশেষে ডেনমার্কের উপকূলে ভেসে আসে তার মৃতদেহ।

প্রশ্ন হলো, এত চেষ্টা করেও কেন তাকে বাঁচানো গেল না? উত্তর লুকিয়ে আছে তিমির শরীরের গঠনেই।

তিমি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম। একটি পূর্ণবয়স্ক কুঁজপিঠ তিমির ওজন ৩০ থেকে ৪০ টন। সমুদ্রে এই বিশাল ওজন কোনো সমস্যা নয়। কারণ পানি তাদের শরীর ভাসিয়ে রাখে এবং ওজনের চাপ কমিয়ে দেয়।

কিন্তু তীরে আটকে পড়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। তখন তিমির পুরো শরীরের ওজন তার নিজের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ওপর এসে পড়ে। ফুসফুস, হৃদযন্ত্র ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়ে। ধীরে ধীরে রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হতে থাকে। শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। শরীরের ভেতরে এমন ক্ষতি শুরু হয়, যা বাইরে থেকে সবসময় বোঝা যায় না।

সামুদ্রিক প্রাণী বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সমুদ্রে যে ওজন কোনো সমস্যা নয়, তীরে এসে সেই ওজনই মৃত্যুর কারণ হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন

৫৮ বছরে পৃথিবীর বদলে যাওয়ার গল্প

২০ এপ্রিল ২০২৬


এখানেই শেষ নয়। তীরে আটকে পড়ার পর তিমির শরীরে দ্রুত পানিশূন্যতা দেখা দেয়। সূর্যের তাপ ও বাতাসে তাদের সংবেদনশীল ত্বক শুকিয়ে যেতে থাকে। অনেক সময় চামড়া ফেটে যায়, ক্ষত তৈরি হয়। একই সঙ্গে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতাও কমে যায়। ফলে অতিরিক্ত তাপ তাদের আরও দুর্বল করে তোলে।

অনেকে ভাবেন, তিমিকে আবার পানিতে ঠেলে দিলেই হয়তো সে বেঁচে যাবে। কিন্তু বাস্তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তা সম্ভব হয় না। কারণ তীরে ভেসে আসা অধিকাংশ তিমিই আগে থেকেই অসুস্থ, আহত বা দুর্বল অবস্থায় থাকে।

কখনো তারা জাহাজের ধাক্কায় আহত হয়। কখনো মাছ ধরার জালে জড়িয়ে পড়ে। আবার কখনো রোগ, অপুষ্টি, বিষাক্ত শৈবাল বা পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে পথ হারিয়ে ফেলে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ছে, খাদ্যের অবস্থান বদলে যাচ্ছে, সমুদ্রে শব্দদূষণও বাড়ছে। এসব কারণও তিমিদের স্বাভাবিক চলাচলে প্রভাব ফেলছে।

আরেকটি বড় সমস্যা হলো উদ্ধার কার্যক্রম। ডলফিন বা ছোট সামুদ্রিক প্রাণীকে কয়েকজন মানুষ মিলে পানিতে ফেরাতে পারলেও একটি বড় তিমির ক্ষেত্রে সেটি প্রায় অসম্ভব। এত বিশাল প্রাণী সরাতে প্রয়োজন হয় ভারী যন্ত্রপাতি, বিশেষ প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা। তবুও সফলতার নিশ্চয়তা থাকে না।

আরও পড়ুন

মানুষের আলোতেই হারাচ্ছে মহাবিশ্ব দেখার স্বপ্ন

৩০ মে ২০২৬


পরিসংখ্যানও বলছে, জীবিত অবস্থায় তীরে আটকে পড়া বড় তিমিদের খুব অল্প সংখ্যকই সফলভাবে উদ্ধার হয়ে দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ থাকে যে সমুদ্রে ফেরানোর পরও মৃত্যু এড়ানো যায় না।

তাই বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ‘কোনো তিমি তীরে আটকে পড়লে আবেগ নয়, বাস্তবতা গুরুত্ব দিতে হয়। অনেক সময় সবচেয়ে মানবিক সিদ্ধান্তও হতে পারে প্রাণীটিকে আর কষ্ট না দেওয়া।’

তিমির গল্প সেই কঠিন বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি। লাখো মানুষের ভালোবাসা, কোটি মানুষের প্রার্থনা এবং বিপুল অর্থ ব্যয় করেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

তবে তার গল্প আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। তিমিকে বাঁচানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় সে যেন কখনো তীরে আটকে না পড়ে। মাছ ধরার জালে জড়িয়ে পড়া কমানো, সমুদ্র দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষ কমানো এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করাই হতে পারে প্রকৃত সমাধান।

কারণ একবার তীরে আটকে পড়লে, পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী প্রাণীগুলোর একটিও মুহূর্তেই হয়ে যেতে পারে সবচেয়ে অসহায়।

আটকতিমিডেনমার্ক
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

    অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

    মাধবপুরে পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

    মাধবপুরে পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

    পরীমনিকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

    পরীমনিকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, চারটি স্থগিত

    একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, চারটি স্থগিত

    বকেয়া বিলের সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার দুই বিদ্যুৎকর্মী

    বকেয়া বিলের সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার দুই বিদ্যুৎকর্মী

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    সারা দেশে জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা

    সারা দেশে জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা

    গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    হাসিনার উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে

    হাসিনার উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে