ফ্রাঙ্কফুর্টে কনস্যুলেট স্থাপনের সিদ্ধান্তে খুশি প্রবাসীরা

সংগৃহীত ছবি
জার্মানির বাণিজ্যিক নগরী ফ্রাঙ্কফুর্টে বাংলাদেশের নতুন কনস্যুলেট স্থাপনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। একই সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাওয়া ঢাকা-ফ্রাঙ্কফুর্ট সরাসরি বিমান চলাচল পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন তারা।
গত ২১ সেপ্টেম্বর জার্মানির সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি অধ্যুষিত ফ্রাঙ্কফুর্টে নতুন কনস্যুলেট জেনারেল স্থাপনের সিদ্ধান্তের কথা জানায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
জার্মানি বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক কমিটির সদস্য দেওয়ান শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের এই সিদ্ধান্তে আমরা খুবই আনন্দিত। ফ্রাঙ্কফুর্ট ইউরোপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও ব্যবসায়িক কেন্দ্র। শহরটিতে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সদর দপ্তর রয়েছে। পাশাপাশি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তরও এই শহরে। এখানেই ১০ হাজারের বেশি বাঙালির বসবাস।’
তিনি বলেন, ‘ফ্রাঙ্কফুর্ট ও এর আশপাশের হেসেন, রাইনল্যান্ড-পালাটিনেট, বাডেন-ভুর্টেমবার্গসহ মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিম জার্মানির বিভিন্ন অঞ্চলে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বসবাস করেন। ফলে বার্লিনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের ওপর নির্ভর না করে ফ্রাঙ্কফুর্টে একটি পূর্ণাঙ্গ কনস্যুলেট গড়ে উঠলে প্রবাসীদের বিভিন্ন সরকারি ও কনস্যুলার সেবা গ্রহণ আরও সহজ হবে। আমরা জার্মানির প্রবাসীরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।’
দেওয়ান শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘কনস্যুলেট স্থাপনের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা দেওয়ার পাশাপাশি জার্মানি ও ইউরোপের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে। এখন সিদ্ধান্তটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক। একই সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাওয়া ঢাকা-ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমান চলাচলও পুনরায় চালুর জন্য আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’
জার্মানির সাংস্কৃতিক সংগঠক সৌমিন ইসলাম বলেন, ‘জার্মানিতে বাংলাদেশিদের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়ছে। বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই থাকেন ফ্রাঙ্কফুর্টে। সেখানে কনস্যুলেট স্থাপনের সিদ্ধান্ত সত্যিই আনন্দের। আমরা আশা করব, এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।’
এনআরবি জার্মানির সংগঠক আনোয়ার হোসাইন বলেন, ‘ফ্রাঙ্কফুর্টে কনস্যুলেট ও বিমান চলাচল চালু হলে শত শত প্রবাসীর ভোগান্তি দূর হবে। সরকার দ্রুততম সময়ে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করলে প্রবাসীদের সরকারের প্রতি সমর্থনও বাড়বে।’




