বাদল অধিবেশনের আগেই সর্বদল বৈঠকে বিতর্ক, ওয়াকআউট বিরোধীদের

সংগৃহীত ছবি
বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই দিল্লির রাজনৈতিক আবহ উত্তপ্ত। রবিবার সংসদের অ্যানেক্স ভবনে আয়োজিত সর্বদল বৈঠকে তৃণমূল ছেড়ে সদ্য গঠিত ‘ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ (এনসিপিআই)-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সংসদ সদস্য আমন্ত্রণ ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। বৈঠক শুরুর পরই প্রতিবাদ জানিয়ে কালীঘাট তৃণমূল,কংগ্রেস,সমাজবাদী পার্টি সহ ‘ইন্ডিয়া’ জোটের একাধিক দলের প্রতিনিধিরা ওয়াকআউট করেন।
রাজ্যে পালাবদলের পর সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ তৃণমূলের ২০ জন সাংসদ এনসিপিআই-তে যোগ দিয়ে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে পৃথক দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেছেন। যদিও এখনও এ বিষয়ে স্পিকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তার মধ্যেই সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরণ রিজিজু তাদের সর্বদল বৈঠকে আমন্ত্রণ জানান।
বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু ও অর্জুন রাম মেঘওয়াল নতুন দলটির সংসদ সদস্যদের স্বাগত জানাতেই আপত্তি তোলেন বিরোধীরা। পরে সংসদের বাইরে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র প্রশ্ন তোলেন, স্পিকারের স্বীকৃতি ছাড়াই কোন নিয়মে এনসিপিআই-র প্রতিনিধিদের সর্বদল বৈঠকে ডাকা হল? তার দাবি, সংসদে তাদের পৃথক দল হিসেবে এখনও পূর্ণ স্বীকৃতি মেলেনি। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই বৈঠক বয়কট করা হয়েছে।
তৃণমূলের পাশাপাশি কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে, সিপিআই এবং শিবসেনা (উদ্ধব শিবির)-এর প্রতিনিধিরাও ওয়াকআউটে সামিল হন। পরে কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশের বক্তব্য ভাগ করে নিয়ে বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেন তৃণমূলের ডেরেক ও’ব্রায়েন।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, স্পিকারের সিদ্ধান্তের আগেই দলত্যাগী সাংসদদের গুরুত্ব দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধীদের ক্ষোভ আরও বেড়েছে। ফলে বাদল অধিবেশনে এই ইস্যু ঘিরে সরকার-বিরোধী সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে।




